ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত বিজিবি: প্রধানমন্ত্রী

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

এই বাহিনীকে বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই

দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)। দেশমাতৃকা রক্ষায় তারা সদা জাগ্রত। এই বাহিনীকে বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

সোমবার (৪ মার্চ) বিজিবির সদর দফতর পিলখানায় বিজিবি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় তিনি বলেন, সাবেক বিডিআর বিদ্রোহে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটে।

জাতির পিতাকে হত্যার পর সীমান্ত অধিকার কিংবা সমুদ্রের অধিকার নিয়ে কোনো সরকারই উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে ছিটমহল বিনিময়ে বিশ্বে নজির গড়েছে। সীমান্ত অধিকার আদায় করেছে। আর বিজিবি তা রক্ষা করে চলেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণা সারা দেশে পৌঁছে দেয় ইপিআর, (বিজিবির তখনকার নাম) পিলখানায় সেই কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় নারী সৈনিকদের প্যারেডের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েরা অনেক স্মার্ট, নারী সৈনিকদের দক্ষতায় আমি মুগ্ধ।

প্রধানন্ত্রী আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে, ৪ ক্যাটাগরিতে ৭২ বিজিবি সদস্যকে পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত বিজিবি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

 

এই বাহিনীকে বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই

দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)। দেশমাতৃকা রক্ষায় তারা সদা জাগ্রত। এই বাহিনীকে বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

সোমবার (৪ মার্চ) বিজিবির সদর দফতর পিলখানায় বিজিবি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় তিনি বলেন, সাবেক বিডিআর বিদ্রোহে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটে।

জাতির পিতাকে হত্যার পর সীমান্ত অধিকার কিংবা সমুদ্রের অধিকার নিয়ে কোনো সরকারই উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে ছিটমহল বিনিময়ে বিশ্বে নজির গড়েছে। সীমান্ত অধিকার আদায় করেছে। আর বিজিবি তা রক্ষা করে চলেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণা সারা দেশে পৌঁছে দেয় ইপিআর, (বিজিবির তখনকার নাম) পিলখানায় সেই কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় নারী সৈনিকদের প্যারেডের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েরা অনেক স্মার্ট, নারী সৈনিকদের দক্ষতায় আমি মুগ্ধ।

প্রধানন্ত্রী আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে, ৪ ক্যাটাগরিতে ৭২ বিজিবি সদস্যকে পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।