ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::

প্রগতিশীল রাজনীতিক হায়দার আকবর খান রনো প্রয়াত

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪ ৭৪ বার পড়া হয়েছে

হায়দার আকবর খান রনো, ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

১৯৪২ সালের ৩১ আগস্ট অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করা হায়দার আকবর খান রনো একজন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই ছিলেন না, তিনি একজন সুলেখকও ছিলেন।

মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক হায়দার আকবর খান রনো পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও নেতা এবং একাধিক বইয়ের লেখক। তার পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের নড়াইলের বরাশুলা গ্রামে।

হায়দার আকবর খান রনো শুক্রবার (১০ মে) দিনগত রাত ২টা (শনিবার ভোররাত) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা ছিলেন।

হায়দার আকবর খান ধানমন্ডির নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গেল সোমবার সন্ধ্যায় তার স্বাস্থ্যের অবণতি হলে ঢাকার পান্থপথ হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং শনিবার ভোর রাতে মারা যান তিনি।

২০১০ সালে মতভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ছেড়ে হায়দার আকবর খান সিপিবিতে যোগ দেন। ২০১২ সালে তাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়। এরপর তিনি সিপিবির উপদেষ্টা হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রগতিশীল রাজনীতিক হায়দার আকবর খান রনো প্রয়াত

আপডেট সময় : ১১:৪০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪

 

১৯৪২ সালের ৩১ আগস্ট অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করা হায়দার আকবর খান রনো একজন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই ছিলেন না, তিনি একজন সুলেখকও ছিলেন।

মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক হায়দার আকবর খান রনো পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও নেতা এবং একাধিক বইয়ের লেখক। তার পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের নড়াইলের বরাশুলা গ্রামে।

হায়দার আকবর খান রনো শুক্রবার (১০ মে) দিনগত রাত ২টা (শনিবার ভোররাত) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা ছিলেন।

হায়দার আকবর খান ধানমন্ডির নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গেল সোমবার সন্ধ্যায় তার স্বাস্থ্যের অবণতি হলে ঢাকার পান্থপথ হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং শনিবার ভোর রাতে মারা যান তিনি।

২০১০ সালে মতভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ছেড়ে হায়দার আকবর খান সিপিবিতে যোগ দেন। ২০১২ সালে তাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়। এরপর তিনি সিপিবির উপদেষ্টা হন।