ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে চিলমারী রক্ষার দাবি, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহ্বান Logo ‘সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে’—সিরাজগঞ্জে মন্ত্রী টুকু Logo সুবর্ণচরে মৎস্য প্রজেক্ট দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ, মানববন্ধনে বাধার দাবি Logo বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্টগার্ডের Logo বন্ধ পাটকল ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী Logo কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি Logo নোয়াখালীতে ট্রাকের ধাক্কায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত Logo ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক র‍্যালি Logo জনবল সংকট ও দালালচক্রে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তি

রামুর বিভিন্ন দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৮১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পূর্বাঞ্চলীয় চার ইউনিয়ন নিয়ে নতুন “বাঁকখালী উপজেলা” বা “পুর্বসীমান্ত উপজেলা” প্রতিষ্ঠা, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং গর্জনিয়া বাজারে একটি আধুনিক হিমাগার স্থাপনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে “পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক”।
গতকাল বুধবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, রামু উপজেলার দুর্গম ও অবহেলিত গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজারেরও বেশি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ জনপদ প্রশাসনিক অবহেলা, যোগাযোগ সংকট এবং উন্নয়নবঞ্চনার শিকার হয়ে রয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে,প্রস্তাবিত উপজেলার নাম “বাঁকখালী উপজেলা” অথবা “পূর্বসীমান্ত উপজেলা” রাখা যেতে পারে। এতে সীমান্তবর্তী এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়ক দেশের পূর্ব সীমান্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সেনাবাহিনী, বিজিবি ও সাধারণ মানুষ চলাচল করে। সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি বলে দাবি করেন তারা।
এছাড়া কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের দুই লক্ষাধিক মানুষের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণের সুবিধার্থে গর্জনিয়া বাজারে একটি আধুনিক মানের হিমাগার স্থাপনেরও দাবি জানানো হয়েছে। এতে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং কৃষিপণ্যের অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান করার সময় উপস্থিত ছিলেন পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের সভাপতি দৈনিক আজকের পত্রিকার মাঈনুদ্দীন খালেদ,সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি মর্নিং গ্লোরি ও দৈনিক গণমুক্তির কক্সবাজার ব্যুরো চীফ এস. এম. হুমায়ুন কবির,সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য দৈনিক সমকাল ও বাসসের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম খলিল মামুন ও দৈনিক খোলা কাগজের জেলা প্রতিনিধি নেজাম উদ্দিন,সিনিয়র সহ-সভাপতি দৈনিক জনতার নিজস্ব প্রতিবেদক আবু তালেব সিকদার,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিউজ ভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জাবেদুল আনোয়ার এবং তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কক্সবাজার কন্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নুরুল হাকিম হিরো ও জাতীয় ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি মর্নিং ভয়েস ও দৈনিক ঘোষণার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি এস এম লুৎফুর কবির প্রমূখ।
স্মারকলিপির অনুলিপি প্রধান উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এ দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী এ জনপদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, প্রশাসনিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রামুর বিভিন্ন দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় :

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পূর্বাঞ্চলীয় চার ইউনিয়ন নিয়ে নতুন “বাঁকখালী উপজেলা” বা “পুর্বসীমান্ত উপজেলা” প্রতিষ্ঠা, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং গর্জনিয়া বাজারে একটি আধুনিক হিমাগার স্থাপনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে “পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক”।
গতকাল বুধবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, রামু উপজেলার দুর্গম ও অবহেলিত গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজারেরও বেশি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ জনপদ প্রশাসনিক অবহেলা, যোগাযোগ সংকট এবং উন্নয়নবঞ্চনার শিকার হয়ে রয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে,প্রস্তাবিত উপজেলার নাম “বাঁকখালী উপজেলা” অথবা “পূর্বসীমান্ত উপজেলা” রাখা যেতে পারে। এতে সীমান্তবর্তী এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়ক দেশের পূর্ব সীমান্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সেনাবাহিনী, বিজিবি ও সাধারণ মানুষ চলাচল করে। সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি বলে দাবি করেন তারা।
এছাড়া কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের দুই লক্ষাধিক মানুষের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণের সুবিধার্থে গর্জনিয়া বাজারে একটি আধুনিক মানের হিমাগার স্থাপনেরও দাবি জানানো হয়েছে। এতে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং কৃষিপণ্যের অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান করার সময় উপস্থিত ছিলেন পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের সভাপতি দৈনিক আজকের পত্রিকার মাঈনুদ্দীন খালেদ,সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি মর্নিং গ্লোরি ও দৈনিক গণমুক্তির কক্সবাজার ব্যুরো চীফ এস. এম. হুমায়ুন কবির,সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য দৈনিক সমকাল ও বাসসের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম খলিল মামুন ও দৈনিক খোলা কাগজের জেলা প্রতিনিধি নেজাম উদ্দিন,সিনিয়র সহ-সভাপতি দৈনিক জনতার নিজস্ব প্রতিবেদক আবু তালেব সিকদার,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিউজ ভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জাবেদুল আনোয়ার এবং তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কক্সবাজার কন্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নুরুল হাকিম হিরো ও জাতীয় ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি মর্নিং ভয়েস ও দৈনিক ঘোষণার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি এস এম লুৎফুর কবির প্রমূখ।
স্মারকলিপির অনুলিপি প্রধান উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এ দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী এ জনপদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, প্রশাসনিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।