কাঁঠালিয়ায় ১০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে তিন উপজেলার মানুষ
- আপডেট সময় : ১৫ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া সদর থেকে আমুয়া বন্দর পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল-বামনা-পাথরঘাটা আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশ খানাখন্দে ভরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে ঝালকাঠি, বরগুনা ও পিরোজপুর জেলার তিন উপজেলার হাজারো মানুষকে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যানবাহন চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁঠালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে আমুয়া জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশ ভেঙে গেছে, আবার কোথাও সড়কের পিচ উঠে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ফলে বাস, ট্রাক, ইজিবাইক, ভ্যান ও অন্যান্য যানবাহন ধীরগতিতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এ সড়ক দিয়েই প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শতাধিক বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
আমুয়া এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী কামাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখান থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি নষ্ট হয়ে আছে। রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া যায় না, আবার পণ্য পরিবহনেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।’
ঢাকাগামী পালকি পরিবহনের চালক মো. রুবেল হোসেন বলেন, ‘মাত্র ১০ কিলোমিটার রাস্তা পার হতে ৪০ মিনিটের বেশি সময় লাগে। রাস্তা সরু হওয়ায় অনেক সময় এক পাশের গাড়িকে থেমে অন্য পাশের গাড়ি যেতে দিতে হয়।’
এদিকে আমুয়া তালতলা বাজারসংলগ্ন দাশের বাড়ি স্টিল সেতুটিও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতুটি সরু হওয়ায় একসঙ্গে দুটি যানবাহন চলাচল করতে পারে না, ফলে যানজট ও সময়ক্ষেপণ হচ্ছে।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহরিয়ার শরীফ খান বলেন, সড়কটির প্রশস্তকরণ ও সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

















