ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক মাসে পাঁচ খুন, বাহুবলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা Logo তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছামাদ Logo কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রুবেল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo কেশবপুরে তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পাশে রিইব Logo মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo মাদকের পক্ষে তদবিরকারীদেরও গ্রেপ্তারের হুশিয়ারি খায়রুল কবির খোকনের Logo বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি Logo খালিয়াজুরীতে ধনু নদে আবারও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo ইসলামপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের ছাতা ও গাছের চারা বিতরণ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

জয়পুরহাটে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সৎমাকে পুলিশে দিলেন প্রতিবেশীরা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় সৎমায়ের বিরুদ্ধে ৪ বছর বয়সী ছেলে সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেশীরা ওই মাকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। গতকাল রোববার (৩০ নভেম্বর-২০২৫) দুপুরে উপজেলার তিলকপুর গিলাকুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলছে, নিহত শিশুটির মাথায় কাটা দাগ ও বুক এবং কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে শিশুটিকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত শিশুর নাম নাঈম হোসেন (৪)। সে গিলাকুড়ি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। আটক সৎমায়ের নাম জাহানারা বেগম (৩২)। তার ৮মাসের ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল জলিলের প্রথম স্ত্রীর ১ ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। প্রায় ৭ বছর আগে প্রথম স্ত্রী অসুস্থ হয়ে মারা যান। এরপর আব্দুল জলিল ৫ বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর ২সন্তান নাঈম হোসেন ও জান্নাতুল খাতুন। তৃতীয় সন্তান প্রসবের সময় তার দ্বিতীয় স্ত্রী মারা যান। ৩ বছর আগে আব্দুল জলিল জাহানারা বেগমকে তৃতীয় বিয়ে করেন। জাহানারা বেগমের ৮ মাসের কাউছার নামে ছেলে সন্তান রয়েছে। রোববার সকালে নাঈম হোসেন বাড়িতে ছিল। সৎমা তাকে মারধর করেন।
নাঈম হোসেন বাড়ির বাথরুমের ভেতর অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিল। তখন সৎমা প্রতিবেশীদের ডেকে নাঈমকে উদ্ধার করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির মারা যাওয়ার খবরে প্রতিবেশীরা সৎমাকে মারধরের পর বাড়িতে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শিশুটির সৎমাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
শিশুটির সৎমা জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, সকাল থেকে নাঈম বাড়িতে ছিল। সে কীভাবে মারা গেছে সেটি জানি না। এ ঘটনায় লোকজন আমাকে অপরাধী ভেবে মারপিট করেছে।
লাশের সুরতহাল প্রস্তুতকারী আক্কেলপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গণেশ চন্দ্র বলেন, শিশুটির মাথায় কাটা দাগ, বুক ও কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
আক্কেলপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ নিহত শিশুর সৎমাকে আটক করেছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সৎমাকে পুলিশে দিলেন প্রতিবেশীরা

আপডেট সময় :

জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় সৎমায়ের বিরুদ্ধে ৪ বছর বয়সী ছেলে সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেশীরা ওই মাকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। গতকাল রোববার (৩০ নভেম্বর-২০২৫) দুপুরে উপজেলার তিলকপুর গিলাকুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলছে, নিহত শিশুটির মাথায় কাটা দাগ ও বুক এবং কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে শিশুটিকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত শিশুর নাম নাঈম হোসেন (৪)। সে গিলাকুড়ি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। আটক সৎমায়ের নাম জাহানারা বেগম (৩২)। তার ৮মাসের ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল জলিলের প্রথম স্ত্রীর ১ ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। প্রায় ৭ বছর আগে প্রথম স্ত্রী অসুস্থ হয়ে মারা যান। এরপর আব্দুল জলিল ৫ বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর ২সন্তান নাঈম হোসেন ও জান্নাতুল খাতুন। তৃতীয় সন্তান প্রসবের সময় তার দ্বিতীয় স্ত্রী মারা যান। ৩ বছর আগে আব্দুল জলিল জাহানারা বেগমকে তৃতীয় বিয়ে করেন। জাহানারা বেগমের ৮ মাসের কাউছার নামে ছেলে সন্তান রয়েছে। রোববার সকালে নাঈম হোসেন বাড়িতে ছিল। সৎমা তাকে মারধর করেন।
নাঈম হোসেন বাড়ির বাথরুমের ভেতর অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিল। তখন সৎমা প্রতিবেশীদের ডেকে নাঈমকে উদ্ধার করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির মারা যাওয়ার খবরে প্রতিবেশীরা সৎমাকে মারধরের পর বাড়িতে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শিশুটির সৎমাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
শিশুটির সৎমা জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, সকাল থেকে নাঈম বাড়িতে ছিল। সে কীভাবে মারা গেছে সেটি জানি না। এ ঘটনায় লোকজন আমাকে অপরাধী ভেবে মারপিট করেছে।
লাশের সুরতহাল প্রস্তুতকারী আক্কেলপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গণেশ চন্দ্র বলেন, শিশুটির মাথায় কাটা দাগ, বুক ও কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
আক্কেলপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ নিহত শিশুর সৎমাকে আটক করেছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।