ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক মাসে পাঁচ খুন, বাহুবলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা Logo তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছামাদ Logo কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রুবেল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo কেশবপুরে তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পাশে রিইব Logo মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo মাদকের পক্ষে তদবিরকারীদেরও গ্রেপ্তারের হুশিয়ারি খায়রুল কবির খোকনের Logo বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি Logo খালিয়াজুরীতে ধনু নদে আবারও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo ইসলামপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের ছাতা ও গাছের চারা বিতরণ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

মধুমতি নদী ভাঙনে ভয়াবহ রুপ আতংকে ভাটিয়াপাড়া বাজার ব্যবসায়ীরা

বায়তুল হাসান, কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ)
  • আপডেট সময় : ৩১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জে কাশিয়ানী উপজেলার উপজেলায় মধুমতি নদী ভাঙনে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে আতংকে ভাটিয়াপাড়া বাজার ব্যবসায়ীরা।দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে বিলিন হতে পারে ভাটিয়াপাড়া বাজার।কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া বাজারে গত কাল শুক্রবার বিকালে পশ্চিম প্রান্তে তিন মহোনায় মধুমতি নদী দেখা দিয়েছে।ভয়াবহ ভাঙন
ইতিমধ্যে মধুমতি নদীর পুরাতন বাধের ২৫/৩০ মিটার এলাকা ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।নিরাপত্তা ও টেকসই ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে স্থানীয় উপজেলা ও প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড বিলিন হয়ে যেতে পারে বাজারটি।ব্যবসায়ী সুত্রে জানা গেছে ব্রিটিশ আমল থেকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় গড়ে ওঠে এ বাজার।নদী বন্দর হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বাজারটি।কিন্তু প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রবল স্রোতের কারনে ভাঙনের ঝুকি থাকে।এর আগেও ভাটিয়াপাড়া বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মধুমতি নদীতে দেখা দেয় তীব্র নদী ভাঙ্গান।চোখের পলকেই বাজারের ২৫টি দোকানপাট ও জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।ভাঙন আতংকে অন্য যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠা সড়িয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা।আজও দেখা গেছে সে রুপ।সবাই ব্যস্ত নিজেদের দোকানের মালামলা রক্ষা করতে।নদী গর্ভে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাওয়ায় নি:স্ব হয়ে পড়বে তারা।গোপালগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক্সচেঞ্জ রিফাত হোসেন গণমাধ্যমেকে বলেন খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করি এবং জান ও মালামাল রক্ষায় নদী ভাঙ্গন এলাকায় সরকারি ভাবে ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলানোর পাশ হয়েছে যা আজকে দিন মধ্যে পর্যায়ক্রমে সেটা কার্যকর হবে বলে আশা করি।এ সময় ভাঙ্গনরোধে বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক মামুন শরীফ সহ ব্যবসায়ীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে সহযোগীতা চেয়ে দ্রুত ভাঙ্গন এলাকায় স্থায়ী সমাধানের দাবী জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মধুমতি নদী ভাঙনে ভয়াবহ রুপ আতংকে ভাটিয়াপাড়া বাজার ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় :

গোপালগঞ্জে কাশিয়ানী উপজেলার উপজেলায় মধুমতি নদী ভাঙনে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে আতংকে ভাটিয়াপাড়া বাজার ব্যবসায়ীরা।দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে বিলিন হতে পারে ভাটিয়াপাড়া বাজার।কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া বাজারে গত কাল শুক্রবার বিকালে পশ্চিম প্রান্তে তিন মহোনায় মধুমতি নদী দেখা দিয়েছে।ভয়াবহ ভাঙন
ইতিমধ্যে মধুমতি নদীর পুরাতন বাধের ২৫/৩০ মিটার এলাকা ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।নিরাপত্তা ও টেকসই ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে স্থানীয় উপজেলা ও প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড বিলিন হয়ে যেতে পারে বাজারটি।ব্যবসায়ী সুত্রে জানা গেছে ব্রিটিশ আমল থেকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় গড়ে ওঠে এ বাজার।নদী বন্দর হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বাজারটি।কিন্তু প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রবল স্রোতের কারনে ভাঙনের ঝুকি থাকে।এর আগেও ভাটিয়াপাড়া বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মধুমতি নদীতে দেখা দেয় তীব্র নদী ভাঙ্গান।চোখের পলকেই বাজারের ২৫টি দোকানপাট ও জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।ভাঙন আতংকে অন্য যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠা সড়িয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা।আজও দেখা গেছে সে রুপ।সবাই ব্যস্ত নিজেদের দোকানের মালামলা রক্ষা করতে।নদী গর্ভে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাওয়ায় নি:স্ব হয়ে পড়বে তারা।গোপালগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক্সচেঞ্জ রিফাত হোসেন গণমাধ্যমেকে বলেন খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করি এবং জান ও মালামাল রক্ষায় নদী ভাঙ্গন এলাকায় সরকারি ভাবে ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলানোর পাশ হয়েছে যা আজকে দিন মধ্যে পর্যায়ক্রমে সেটা কার্যকর হবে বলে আশা করি।এ সময় ভাঙ্গনরোধে বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক মামুন শরীফ সহ ব্যবসায়ীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে সহযোগীতা চেয়ে দ্রুত ভাঙ্গন এলাকায় স্থায়ী সমাধানের দাবী জানান।