রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধের অভিযোগ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার
- আপডেট সময় : ৩০ বার পড়া হয়েছে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণী ইউনিয়নের উজিরপুর এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো একটি সাধারণ চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় ৫টি পরিবারের নারী, শিশু ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। চরম ভোগান্তিতে পড়া ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে স্থানীয় বাসিন্দা জালাল উদ্দিন গতকাল সোমবার (১৮ মে) বড়লেখা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উজিরপুর এলাকার এই রাস্তাটি দিয়ে স্থানীয় পরিবারগুলো দীর্ঘ প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে যাতায়াত করে আসছিলেন। ইতিপূর্বে রাস্তাটি নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে গত ৩০ মার্চ ২০১৯ তারিখে মৃত এলাছ উদ্দিনের স্ত্রী মিনা বেগম বড়লেখা থানায় একটি মামলা/অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে বড়লেখা থানা পুলিশের উদ্যোগে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ও ‘স্মরণলিপি পত্র’ (সালিশনামা) সম্পাদিত হয়। সেই সালিশনামার ১ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাস্তাটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছিল।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত ১৬ মে (শনিবার) সকাল আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকায় ওই সালিশি সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অমান্য করে একই এলাকার অভিযুক্ত সিদ্দিক (৪০), রোকেয়া বেগম (৪০), কাসিম (১৮) ও হুসাইন (২৫) গংরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে জোরপূর্বক রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলের একমাত্র পথটি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে দেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে অভিযোগকারী জালাল উদ্দিনসহ তার পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। এতে জালাল উদ্দিন, মিনা বেগম, জুবায়ের আহমদ, আব্দুল্লাহ ও শামীম আহমদের পরিবারসহ মোট ৫টি পরিবার বর্তমানে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা আইন অমান্য করে রাস্তা বন্ধ করায় সাধারণ মানুষ ও স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে এবং অবরুদ্ধ পথটি পুনরায় উন্মুক্ত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনগত ব্যবস্থা কামনা করেছেন।

















