সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দৌড়ে কটিয়াদীর দুই পুত্রবধূ
- আপডেট সময় : ৪৬ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দুই পুত্রবধূ ফাহিমা হোসাইন জুবলী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের সমাজসেবক মো. নুরুল আমিনের পুত্রবধূ ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আকিলের স্ত্রী। আর অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা রুনা কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য মরহুম হাবিবুর রহমান দয়ালের পুত্রবধূ এবং ব্যবসায়ী মরহুম ওমর ফারুক মিন্টুর স্ত্রী।
ফাহিমা হোসাইন জুবলী দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ক্রিকেট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদিকা, ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক সদস্য সচিব এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তার স্বামী রুহুল আমিন আকিল কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন । তিনি জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা রুনা বর্তমানে ঢাকা মহানগর উত্তরের মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উত্তরের মহিলা দলের সাবেক সদস্য সচিব এবং জিয়া পরিষদের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।
তার শ্বশুর মরহুম হাবিবুর রহমান ভুইয়া দয়াল কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার স্বামী মরহুম উমর ফারুক মিন্টু কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন।
সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ফাহিমা হোসাইন জুবলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। তবুও দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। মনোনয়ন পেলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা রুনা জানান, জিয়া পরিবারের সঙ্গে তার শ্বশুর পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তিনি জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের অংশ হিসেবে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক ঐতিহ্যের ভিত্তিতে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।
















