কক্সবাজার জেলা পরিষদের নতুন সিইও সুরাইয়া আক্তার
- আপডেট সময় : ৯৬ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার জেলা পরিষদের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে সুরাইয়া আক্তার সুইটি (১৬৮০১) কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গত ২৭ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো: ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিসিএস (প্রশাসন) কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার সুইটিকে কক্সবাজার জেলা পরিষদের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করে তাঁর চাকুরী স্থানীয় সরকার বিভাগে ন্যস্ত করা হয়।
সরকারের উপসচিব সুরাইয়া আক্তার সুইটি বর্তমানে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের অধীনে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প-৪ ইনচার্জ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিয়াম ফাউন্ডেশন কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক মো: লুৎফুর রহমান এর সহধর্মিণী। সুরাইয়া আক্তার সুইটি কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রথম মহিলা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদ্য বিদায়ী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আল মারুফ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর একান্ত সচিব পদে যোগ দিয়েছেন।
নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যাপক মফিজুল ইসলাম বলেন, “সুরাইয়া আক্তার সুইটির মতো অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তার আগমন জেলা পরিষদের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনবে। বিশেষ করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।”
কক্সবাজার ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল কাদের চৌধুরী বলেন, “তিনি মাঠ প্রশাসনে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মকর্তা। জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্থানীয় অর্থনীতির প্রসারে জেলা পরিষদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
সাংবাদিক ও হুমায়ুন কবির বলেন, “প্রথম নারী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে জেলা পরিষদের সেবামূলক কার্যক্রম আরও জনবান্ধব হবে বলে প্রত্যাশা করছি।”
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, “সুরাইয়া আক্তার সুইটি দক্ষ, সৎ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করলে জেলার উন্নয়ন প্রকল্পে গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দায়িত্ব গ্রহণের পর কক্সবাজার জেলা পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং জনসেবামুখী উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

















