ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

নোয়াখালীতে মা-ছেলেকে হত্যা, দুই বছর পর পুকুর থেকে কঙ্কাল উদ্ধার

নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ১৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সম্পত্তি ভাগাভাগির বিরোধে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যার দুই বছর পর পুকুর থেকে তাদের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে সিআইডি। এ ঘটনায় নিহত নারীর দুই সৎ ছেলে ও এক নাতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের জয়াগ গ্রামের আবু আমিনের বাড়ির পুকুর থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে কঙ্কাল দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন কমলা বেগম (৩২) ও তার ছেলে মো. নোমান (৯)। কমলা একই এলাকার আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক সম্পত্তি ভাগাভাগির দ্বন্দ্বের জেরে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কমলা বেগম ও তার শিশুপুত্র নোমানকে হত্যা করা হয়। পরে শুকনো মৌসুমে লাশ গুম করতে তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় পুকুরে মাটিচাপা দেওয়া হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর গ্রেপ্তার হওয়া সৎ ছেলে রাজু, সাগর ও নাতি টিপুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুকুর খনন করে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালী সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার ও ইনচার্জ মো. রাইছুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর আদালতে একটি মামলা এবং পরে সোনাইমুড়ী থানায় একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবি জানান।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে মা-ছেলেকে হত্যা, দুই বছর পর পুকুর থেকে কঙ্কাল উদ্ধার

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সম্পত্তি ভাগাভাগির বিরোধে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যার দুই বছর পর পুকুর থেকে তাদের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে সিআইডি। এ ঘটনায় নিহত নারীর দুই সৎ ছেলে ও এক নাতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের জয়াগ গ্রামের আবু আমিনের বাড়ির পুকুর থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে কঙ্কাল দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন কমলা বেগম (৩২) ও তার ছেলে মো. নোমান (৯)। কমলা একই এলাকার আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক সম্পত্তি ভাগাভাগির দ্বন্দ্বের জেরে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কমলা বেগম ও তার শিশুপুত্র নোমানকে হত্যা করা হয়। পরে শুকনো মৌসুমে লাশ গুম করতে তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় পুকুরে মাটিচাপা দেওয়া হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর গ্রেপ্তার হওয়া সৎ ছেলে রাজু, সাগর ও নাতি টিপুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুকুর খনন করে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালী সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার ও ইনচার্জ মো. রাইছুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর আদালতে একটি মামলা এবং পরে সোনাইমুড়ী থানায় একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবি জানান।