ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

কাটেনি ঈদের আমেজ

হালিম মোহাম্মদ
  • আপডেট সময় : ২৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা ৭ দিনের ঈদের ছুটি শেষ হয়ে গতকাল সোমবার ছিল কর্মদিববেসের প্রথম দিন। কিন্তু সচিবালয়সহ অফিস পাড়ায় উপস্থিতি কম থাকায় কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়নি। ঈদের আমেজ কাটেনি। রাজধানী অনেকটাই ফাঁকা। এরইমধ্যে ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষরা। কোথাও যানজট বা বিড়ম্বনার লেস মাত্র নেই। সোমবারও নির্বিঘ্নে ঢাকায় ফিরেছেন অনেকে। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
এদিকে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় কর্মচাঞ্চল্য তুলনামূলক কম ছিল। এদিন অনেকেই কর্মঘণ্টার একটা বড় অংশ সহকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশলবিনিময় করে সময় কাটান। গতকাল সোমবার সরকারি-বেসরকারি সব অফিস, আদালত এবং ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। কর্মজীবী মানুষ রাজধানীতে ফিরতে শুরু করায় ঢাকা নগরীর সড়কগুলোতে গাড়ির চাপ এবং গণপরিবহণের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ৩১ মে থেকে শুরু করে আজ ১ জুন পর্যন্ত ঢাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও প্রবেশপথগুলোতে যানবাহনের এই ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর মিরপুর, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলা মোটর, মহাখালী ও বিজয় সরণিসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
আজ কোনো যানজট নেই, অনেক স্বস্তিতে ঘরমুখো মানুষ জীবন জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে ফিরছেন। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যানজটমুক্ত সড়ক রাখতে জেলা পুলিশ, থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ পুলিশের সব ইউনিট মহাসড়কে টানা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আজ কোনো যানজট নেই। মহাসড়ক এখন পুরোপুরি যানজটমুক্ত।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। এছাড়া ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সব মিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি ভোগ করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। বাস, মিনিবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করলেও স্বাভাবিক কর্মদিবসের তুলনায় সড়ক এখনো অনেকটাই ফাঁকা। বিভিন্ন মোড়ে যানবাহন থামতে হলেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। কোথাও উল্লেখযোগ্য যানজট চোখে পড়েনি।
রাজধানীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনিতেও মানুষের উপস্থিতি ছিল কম। অনেক বাস তুলনামূলক কম যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষ এখনো পুরোপুরি ঢাকায় ফেরেনি। গাবতলী-ডেমরা রুটে চলচলকারী বাসের হেলপাররা জানান, ঈদের ছুটির শুরু থেকে যাত্রীসংখ্যা এখনো অনেক কম। তবে অফিস খোলা থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে।
এদিকে ঈদের আনন্দ কাটিয়ে গ্রাম থেকে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার কর্মজীবী মানুষ। কোরবানির ঈদ হওয়ায় মাংসের ব্যাগ বস্তাসহ বাস থেকে নামতে দেখা যায়। রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথ, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ি মোর, শনিরআখড়া, সাইনবোর্ড, ঢাকা-মাওয়া সড়কের দোলাইরপাড়, যাত্রাবাড়ি এলাকায় এমন দৃশ্যের দেখা মেলে। বিভিন্ন মালামালের ব্যাগ বস্তার পাশাপাশি স্ত্রী, সন্তান, বয়স্ক মা-বাবা ছেলে সন্তানদের সাথে দেখা যায়।
চাঁদপুর থেকে ঈদ ফেরত যাত্রী জুবায়ের আহমেদ সৌরভ জানান, সোমবার অফিস খোলা সেজন্য বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয়েছে। কিন্তু মনটা চেয়েছে আরও যদি কিছুদিন থেকে বাড়ির ও গ্রামের লোকজনদের সাথে থাকতে পারতাম।
বরিশাল থেকে ঈদ ফেরত যাত্রী রওনক জাহান সুচী বলেন, শ্বশুর বাড়িতে ঈদ শেষে বাসে ঢাকায় ফিরলাম। কোথাও কোন যানজট বা সমস্যা হয়নি। তবে বাস থেকে নামার পর বাসায় যেতে সিএনজি ও অটো রিকসার ভাড়া দুই থেকে তিনগুন গুনতে হচ্ছে।
রাজধানীর প্র্েবশপথে মহাসড়কে যানজট নেই, অনেকটা ফাঁকা মহাসড়ক। অনেকটা ফাঁকা ঢাকা চট্টগ্রাম ও সিলেট মহাসড়ক। অপরদিকে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রায় গত দুদিন ছিল সবচেয়ে দুর্ভোগের স্থান। গতকাল সোমবার দেখা যায়, চিরচেনা সেই যানজট নেই, পরিবহণেরও নেই কোনো সংকট। মহাসড়কে যাত্রী আসছেন, তবে তাদের কোনো ভোগান্তি হচ্ছে না। যাত্রীরা তাদের পছন্দমতো পরিবহনে ঢাকার দিকে চলে যাচ্ছেন।
আলম হোসেন নামে এক যাত্রী বলেন, যানজট ছিল এজন্য গতকাল রওনা হইনি, আজ চন্দ্রা মোড় থেকে ঢাকার পথে কোনো যানজট নেই। যাত্রীর থেকে আজ পরিবহণ বেশি। এদিকে কোনো যানজট নেই, যাত্রীরা বলেন, যমুনা সেতুর আগে কিছুটা যানজট রয়েছে। ধীর গতিতে চলছে পরিবহনগুলো।
রাজশাহীগামী হিমাচল পরিবহণের চালক বলেন, আগে যে চাপ ছিল তার ১০ ভাগের ১ ভাগ লোক নেই। ১০ মিনিটে গাড়ি ভরে ছিল যাত্রী দিয়ে। আজ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গাড়ি ভরছে না। কর্মরত সার্জেন্ট আলমগীর হোসেন বলেন, হাইওয়েতে কোনো যানজট নেই। সড়ক একদম ফাঁকা রয়েছে। গাড়ি আসছে, যাত্রী উঠিয়ে চলেও যাচ্ছে। দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকা কোনো যানবাহন নেই। যাত্রী সংখ্যাও তুলনামূলক কম থাকায় যানজটের কোনো শঙ্কা নেই। চিরচেনা ব্যস্ত ঢাকামুখী সড়কে এখন আবার স্বাভাবিক ও যানজটমুক্ত পরিবেশে ফিরে এসেছে।
অন্যদিকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়িয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য বেসরকারি চাকরিজীবীরা এই ছুটি ভোগ করেন। তবে, ঈদের ছুটির আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস করেছেন চাকরিজীবীরা। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। ঈদুল আজহার আগে ২৬ ও ২৭ মে দুদিন এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ভোগ করেন চাকরিজীবীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কাটেনি ঈদের আমেজ

আপডেট সময় :

টানা ৭ দিনের ঈদের ছুটি শেষ হয়ে গতকাল সোমবার ছিল কর্মদিববেসের প্রথম দিন। কিন্তু সচিবালয়সহ অফিস পাড়ায় উপস্থিতি কম থাকায় কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়নি। ঈদের আমেজ কাটেনি। রাজধানী অনেকটাই ফাঁকা। এরইমধ্যে ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষরা। কোথাও যানজট বা বিড়ম্বনার লেস মাত্র নেই। সোমবারও নির্বিঘ্নে ঢাকায় ফিরেছেন অনেকে। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
এদিকে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় কর্মচাঞ্চল্য তুলনামূলক কম ছিল। এদিন অনেকেই কর্মঘণ্টার একটা বড় অংশ সহকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশলবিনিময় করে সময় কাটান। গতকাল সোমবার সরকারি-বেসরকারি সব অফিস, আদালত এবং ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। কর্মজীবী মানুষ রাজধানীতে ফিরতে শুরু করায় ঢাকা নগরীর সড়কগুলোতে গাড়ির চাপ এবং গণপরিবহণের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ৩১ মে থেকে শুরু করে আজ ১ জুন পর্যন্ত ঢাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও প্রবেশপথগুলোতে যানবাহনের এই ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর মিরপুর, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলা মোটর, মহাখালী ও বিজয় সরণিসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
আজ কোনো যানজট নেই, অনেক স্বস্তিতে ঘরমুখো মানুষ জীবন জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে ফিরছেন। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যানজটমুক্ত সড়ক রাখতে জেলা পুলিশ, থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ পুলিশের সব ইউনিট মহাসড়কে টানা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আজ কোনো যানজট নেই। মহাসড়ক এখন পুরোপুরি যানজটমুক্ত।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। এছাড়া ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সব মিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি ভোগ করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। বাস, মিনিবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করলেও স্বাভাবিক কর্মদিবসের তুলনায় সড়ক এখনো অনেকটাই ফাঁকা। বিভিন্ন মোড়ে যানবাহন থামতে হলেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। কোথাও উল্লেখযোগ্য যানজট চোখে পড়েনি।
রাজধানীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনিতেও মানুষের উপস্থিতি ছিল কম। অনেক বাস তুলনামূলক কম যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষ এখনো পুরোপুরি ঢাকায় ফেরেনি। গাবতলী-ডেমরা রুটে চলচলকারী বাসের হেলপাররা জানান, ঈদের ছুটির শুরু থেকে যাত্রীসংখ্যা এখনো অনেক কম। তবে অফিস খোলা থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে।
এদিকে ঈদের আনন্দ কাটিয়ে গ্রাম থেকে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার কর্মজীবী মানুষ। কোরবানির ঈদ হওয়ায় মাংসের ব্যাগ বস্তাসহ বাস থেকে নামতে দেখা যায়। রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথ, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ি মোর, শনিরআখড়া, সাইনবোর্ড, ঢাকা-মাওয়া সড়কের দোলাইরপাড়, যাত্রাবাড়ি এলাকায় এমন দৃশ্যের দেখা মেলে। বিভিন্ন মালামালের ব্যাগ বস্তার পাশাপাশি স্ত্রী, সন্তান, বয়স্ক মা-বাবা ছেলে সন্তানদের সাথে দেখা যায়।
চাঁদপুর থেকে ঈদ ফেরত যাত্রী জুবায়ের আহমেদ সৌরভ জানান, সোমবার অফিস খোলা সেজন্য বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয়েছে। কিন্তু মনটা চেয়েছে আরও যদি কিছুদিন থেকে বাড়ির ও গ্রামের লোকজনদের সাথে থাকতে পারতাম।
বরিশাল থেকে ঈদ ফেরত যাত্রী রওনক জাহান সুচী বলেন, শ্বশুর বাড়িতে ঈদ শেষে বাসে ঢাকায় ফিরলাম। কোথাও কোন যানজট বা সমস্যা হয়নি। তবে বাস থেকে নামার পর বাসায় যেতে সিএনজি ও অটো রিকসার ভাড়া দুই থেকে তিনগুন গুনতে হচ্ছে।
রাজধানীর প্র্েবশপথে মহাসড়কে যানজট নেই, অনেকটা ফাঁকা মহাসড়ক। অনেকটা ফাঁকা ঢাকা চট্টগ্রাম ও সিলেট মহাসড়ক। অপরদিকে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রায় গত দুদিন ছিল সবচেয়ে দুর্ভোগের স্থান। গতকাল সোমবার দেখা যায়, চিরচেনা সেই যানজট নেই, পরিবহণেরও নেই কোনো সংকট। মহাসড়কে যাত্রী আসছেন, তবে তাদের কোনো ভোগান্তি হচ্ছে না। যাত্রীরা তাদের পছন্দমতো পরিবহনে ঢাকার দিকে চলে যাচ্ছেন।
আলম হোসেন নামে এক যাত্রী বলেন, যানজট ছিল এজন্য গতকাল রওনা হইনি, আজ চন্দ্রা মোড় থেকে ঢাকার পথে কোনো যানজট নেই। যাত্রীর থেকে আজ পরিবহণ বেশি। এদিকে কোনো যানজট নেই, যাত্রীরা বলেন, যমুনা সেতুর আগে কিছুটা যানজট রয়েছে। ধীর গতিতে চলছে পরিবহনগুলো।
রাজশাহীগামী হিমাচল পরিবহণের চালক বলেন, আগে যে চাপ ছিল তার ১০ ভাগের ১ ভাগ লোক নেই। ১০ মিনিটে গাড়ি ভরে ছিল যাত্রী দিয়ে। আজ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গাড়ি ভরছে না। কর্মরত সার্জেন্ট আলমগীর হোসেন বলেন, হাইওয়েতে কোনো যানজট নেই। সড়ক একদম ফাঁকা রয়েছে। গাড়ি আসছে, যাত্রী উঠিয়ে চলেও যাচ্ছে। দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকা কোনো যানবাহন নেই। যাত্রী সংখ্যাও তুলনামূলক কম থাকায় যানজটের কোনো শঙ্কা নেই। চিরচেনা ব্যস্ত ঢাকামুখী সড়কে এখন আবার স্বাভাবিক ও যানজটমুক্ত পরিবেশে ফিরে এসেছে।
অন্যদিকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়িয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য বেসরকারি চাকরিজীবীরা এই ছুটি ভোগ করেন। তবে, ঈদের ছুটির আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস করেছেন চাকরিজীবীরা। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। ঈদুল আজহার আগে ২৬ ও ২৭ মে দুদিন এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ভোগ করেন চাকরিজীবীরা।