শরীয়তপুরে শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে মারধর, মামলা
- আপডেট সময় : ২২ বার পড়া হয়েছে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে ও মারধরের অভিযোগে পালং মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীর বাবা শওকত হাওলাদার বাদী হয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, আহত শিক্ষার্থী বাদশা ফয়সাল পালং তুলাসার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। গত ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে শরীয়তপুর পৌর এলাকার ঈদগাহ মাঠের পূর্ব পাশে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন তার পথরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীক্ষার সময় উত্তরপত্র দেখাতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় রাঘব বাঈন (১৫) ও আহসান মাহমুদ আয়ান (১৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে ধারালো চাকু দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়া হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরও হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় হামলার দৃশ্য ধারণ হয়েছে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজে আসতে পারে।
এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর বাবা শওকত হাওলাদার (৫৫), পিতা- মৃত অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সাং- চরবেদভেদ, ডাকঘর- ধানুকা, থানা- পালং, জেলা- শরীয়তপুর, অভিযুক্ত রাঘব বাঈন (১৫) ও আহসান মাহমুদ আয়ান (১৫) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে পালং মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















