ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে

মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথিক’ রোগের কারণে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম নন। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কয়েক দিনের রাজনৈতিক জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর পদত্যাগ নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বিদায়ের প্রস্তুতির কথা জানান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। শুক্রবার থাইল্যান্ড সফর শেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র জমা হবে এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারই দায়িত্ব পালন করবেন। বিকেলে সেই প্রক্রিয়াই কার্যকর হয়।

পদত্যাগপত্রে যা বলেছেন
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন নিজের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হলে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত চান। পরে সেই মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পথ তৈরি হয়। তাঁর দাবি, সে সময় তাঁর ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

এখন কী হবে
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেই বিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন।
এদিকে সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। তবে এখনো সরকার বা দলটির পক্ষ থেকে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেল।’ তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শুধু পদত্যাগে সন্তুষ্ট নয়। দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার পর মো. সাহাবুদ্দিনের আর কোনো আইনগত দায়মুক্তি নেই। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত করে তাঁকে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। আখতার হোসেনের অভিযোগ, পদত্যাগপত্রে স্বাস্থ্যগত কারণ তুলে ধরে তাঁর জন্য একটি ‘সেফ এক্সিট’ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।

যে প্রেক্ষাপটে পদত্যাগ
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই তাঁকে রাষ্ট্রপতির পদে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ঘিরেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রশ্ন তোলে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সেই আলোচনা আরও জোরালো হয়। কয়েক দিনের জল্পনা-কল্পনার পর শুক্রবার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে তাঁর রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের ইতি ঘটল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ফলে এখন দেশের নজর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার কথা। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার

আপডেট সময় :

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথিক’ রোগের কারণে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম নন। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কয়েক দিনের রাজনৈতিক জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর পদত্যাগ নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বিদায়ের প্রস্তুতির কথা জানান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। শুক্রবার থাইল্যান্ড সফর শেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র জমা হবে এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারই দায়িত্ব পালন করবেন। বিকেলে সেই প্রক্রিয়াই কার্যকর হয়।

পদত্যাগপত্রে যা বলেছেন
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন নিজের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হলে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত চান। পরে সেই মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পথ তৈরি হয়। তাঁর দাবি, সে সময় তাঁর ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

এখন কী হবে
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেই বিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন।
এদিকে সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। তবে এখনো সরকার বা দলটির পক্ষ থেকে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেল।’ তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শুধু পদত্যাগে সন্তুষ্ট নয়। দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার পর মো. সাহাবুদ্দিনের আর কোনো আইনগত দায়মুক্তি নেই। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত করে তাঁকে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। আখতার হোসেনের অভিযোগ, পদত্যাগপত্রে স্বাস্থ্যগত কারণ তুলে ধরে তাঁর জন্য একটি ‘সেফ এক্সিট’ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।

যে প্রেক্ষাপটে পদত্যাগ
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই তাঁকে রাষ্ট্রপতির পদে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ঘিরেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রশ্ন তোলে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সেই আলোচনা আরও জোরালো হয়। কয়েক দিনের জল্পনা-কল্পনার পর শুক্রবার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে তাঁর রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের ইতি ঘটল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ফলে এখন দেশের নজর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার কথা। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন।