ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

বারপাখিয়া দাখিল মাদ্রাসায় জেলা শিক্ষা অফিসারের ঝটিকা পরিদর্শন তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৭২৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিমন হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাখিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী সুপার পদসহ অন্যান্য পদে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরিপেক্ষিতে ঝটিকা পরিদর্শনে আসেন জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মনিরুল ইসলাম। মঙ্গলবার(৩০ আগষ্ট)বেলা ১২টার দিকে তিনি মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেন। এ সময়ে তিনি মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেনীকক্ষ,পাঠদান ও অবকাঠামোগত দিক ঘুরফিরে দেখেন। পরবর্তিতে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে বসে ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান ও সাবেক সভাপতি ও শিক্ষকমন্ডলীর সাথে প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। প্রচন্ড গরমে শ্রেনীকক্ষে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার ফ্যান ও প্রতিষ্ঠানের দরজার ব্যবস্থা করেন। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাণিজ্যের ব্যপারে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি জানান,দূর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। প্রতিষ্ঠানের সমস্ত কাগজপত্র তলব করেছি এবং তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।
উল্লেখ্য,প্রতিষ্ঠানে বর্তমান সুপার মাদ্রাসার সহসুপার মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানকে ২০১৯ সালে নিয়োগ দেন এবং তার নিয়োগপত্র ব্যাকডেটে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে দেখান। ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সহসুপার পদে নিয়োগ দেন মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে। জানা যায়, তিনি অত্র প্রতিষ্টানে প্রায় আড়াই বছর চাকরী করে ২০১৭ সালের শেষে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। এক বছর পর ২০১৯ সালে এসে অত্যান্ত চাতুরতার সাথে সহ-সুপার পদে হাফিজুর রহমানসহ গোলাম মর্তুজা,নাসির উদ্দীন ও শামিম হোসেনকে সহকারী শিক্ষক পদে নগদ অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেন মাদ্রাসা সুপার আবুল কালাম। ঐ সময় নিয়োগ বোর্ড ঝিনাইদহ সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে হয়ে থাকলেও সেখানে লিখিত কিংবা ভাইভা কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেননি বর্তমান নিয়োগ প্রাপ্তরা। তবে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গঠিত নিয়োগ বোর্ডের আদলে বর্তমান সহসুপারসহ অন্যান্য নিয়োগ দেখানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মাদ্রাসা সুপার। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও আলমগীর হোসেনের তৃতীয় বিভাগ থাকলেও নিয়ম বর্হিভূতভাবে নিয়োগ দিয়েছেন এই সুপার। জেলা শিক্ষা অফিসারের মাদ্রাসা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মধুসূদন সাহা ও জেলা শিক্ষা অফিসের ২ কর্মকর্তা।
বারপাখিয়া দাখিল মাদ্রাসাটিতে মোট ৭ জনের নিয়ম বর্হিভূতভাবে নিয়োগের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বমহলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বারপাখিয়া দাখিল মাদ্রাসায় জেলা শিক্ষা অফিসারের ঝটিকা পরিদর্শন তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস

আপডেট সময় :

লিমন হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাখিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী সুপার পদসহ অন্যান্য পদে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরিপেক্ষিতে ঝটিকা পরিদর্শনে আসেন জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মনিরুল ইসলাম। মঙ্গলবার(৩০ আগষ্ট)বেলা ১২টার দিকে তিনি মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেন। এ সময়ে তিনি মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেনীকক্ষ,পাঠদান ও অবকাঠামোগত দিক ঘুরফিরে দেখেন। পরবর্তিতে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে বসে ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান ও সাবেক সভাপতি ও শিক্ষকমন্ডলীর সাথে প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। প্রচন্ড গরমে শ্রেনীকক্ষে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার ফ্যান ও প্রতিষ্ঠানের দরজার ব্যবস্থা করেন। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাণিজ্যের ব্যপারে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি জানান,দূর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। প্রতিষ্ঠানের সমস্ত কাগজপত্র তলব করেছি এবং তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।
উল্লেখ্য,প্রতিষ্ঠানে বর্তমান সুপার মাদ্রাসার সহসুপার মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানকে ২০১৯ সালে নিয়োগ দেন এবং তার নিয়োগপত্র ব্যাকডেটে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে দেখান। ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সহসুপার পদে নিয়োগ দেন মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে। জানা যায়, তিনি অত্র প্রতিষ্টানে প্রায় আড়াই বছর চাকরী করে ২০১৭ সালের শেষে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। এক বছর পর ২০১৯ সালে এসে অত্যান্ত চাতুরতার সাথে সহ-সুপার পদে হাফিজুর রহমানসহ গোলাম মর্তুজা,নাসির উদ্দীন ও শামিম হোসেনকে সহকারী শিক্ষক পদে নগদ অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেন মাদ্রাসা সুপার আবুল কালাম। ঐ সময় নিয়োগ বোর্ড ঝিনাইদহ সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে হয়ে থাকলেও সেখানে লিখিত কিংবা ভাইভা কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেননি বর্তমান নিয়োগ প্রাপ্তরা। তবে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গঠিত নিয়োগ বোর্ডের আদলে বর্তমান সহসুপারসহ অন্যান্য নিয়োগ দেখানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মাদ্রাসা সুপার। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও আলমগীর হোসেনের তৃতীয় বিভাগ থাকলেও নিয়ম বর্হিভূতভাবে নিয়োগ দিয়েছেন এই সুপার। জেলা শিক্ষা অফিসারের মাদ্রাসা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মধুসূদন সাহা ও জেলা শিক্ষা অফিসের ২ কর্মকর্তা।
বারপাখিয়া দাখিল মাদ্রাসাটিতে মোট ৭ জনের নিয়ম বর্হিভূতভাবে নিয়োগের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বমহলে।