ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

‘মিনি সুইজারল্যান্ড’

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নান্দনিক স্পটের সম্ভাবনা

রাসেল মোল্লা, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
  • আপডেট সময় : ২৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাগরকন্যা কুয়াকাটার পূর্বদিকের শেষ প্রান্ত। যেখানে সাগরের ঢেউ এসে আছড়ে পরে ভূমির সান্নিদ্ধে। রয়েছে মন উজার করা সাড়ি সাড়ি ঝাঁউবন। বিস্তর এলাকাজুড়ে রয়েছে বালুর মাঠ। হঠাৎ দেখলে মনে হয়, “এযেন অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুইজারল্যান্ড”। স্থানীয়রা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে বাংলার “মিনি সুইজারল্যান্ড”। কুয়াকাটা ঘুরতে আসা পর্যটকদের অত্যান্ত আকর্ষণীয় একটি স্পট। তবে, সরকারের সু-দৃষ্টি এবং পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরো নান্দনিক স্পট হিসেবে গড়ে উঠবে “মিনি সুইজারল্যান্ড” এমনটাই মনে করছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
জানা যায়, কুয়াকাটার বীচ দিয়ে পূর্বদিকে গঙ্গামতি বীচ পয়েন্ট। এছাড়া কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ দিয়ে কয়েক কিলো পূর্বদিকে মটরসাইকেল কিংবা যেকোন যানবাহনযোগে আসা যায় গঙ্গামতি স্পটে। সেখান থেকে আরো দুই-তিন কিলো পূর্বে গেলেই চোখে পরবে মিনি সুইজারল্যান্ড। যার একপাশে বিশালাকার সাগর আর অপরপাশে রয়েছে সাড়ি সাড়ি ঝাঁউবন। এর মাঝখানে লাল কাকড়ার চর। যেখানে ছুটোছুটি করছে শত শত লাল কাকড়া। মানুষ কিংবা যানবাহনের শব্দ পেলেই টুস করে ঢুকে যায় গর্তে। সাগরের গর্জন আর লাল কাকড়াদের লুকোচুড়ি দেখতে দেখতেই চলে আসবে কাংখিত “মিনি সুইজারল্যান্ড”। এখানকার সৌন্দর্যে যেকারো মন ভালো হতে বাধ্য। তবে, দূর্গম যাতায়ত, পর্যটকদের ওয়াশ রুম এবং খাবার সংকটের নিরসন করা এখন সময়ের দাবী।
পটুয়াখালী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক নাঈমুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয় রুবেল খলিফা জানান, মিনি সুইজারল্যান্ডে ঘুরতে এসে তাদের খুব ভালো লাগছে। পড়ন্ত বিকেলে সমুদ্রের গর্জন এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। তবে, ওয়াশ রুমের ব্যবস্থা ও খাবারের ব্যবস্থা থাকলে আরো ভালো হতো বলে তারা জানান।
মিনি সুইজারল্যান্ডের ব্যবসায়ী তরিকুল বলেন, সরাসরি সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় সমুদ্রের পাড় দিয়ে এখানে আসতে হয়। এতে বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আসতে খুব অসুবিধা হয়। এসময় স্পটটি প্রায় পর্যটক শূন্য থাকে। এছাড়া, ওয়াশ রুমের অভাবে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয় নারী পর্যটকদের। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সড়ক ব্যবস্থা, ওয়াশরুম এবং খাবার হোটেলের ব্যবস্থা করলে মিনি সুইজারল্যান্ড একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেশ ও বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পাবে বলে দাবী করেন তিনি।
এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, কুয়াকাটা সীবিচ এবং মিনি সুইজারল্যান্ডসহ সবগুলো পর্যটন স্পট উন্নতিকরনে সরকারি পরিকল্পনা রয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এসকল কাজ শুরু হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘মিনি সুইজারল্যান্ড’

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নান্দনিক স্পটের সম্ভাবনা

আপডেট সময় :

সাগরকন্যা কুয়াকাটার পূর্বদিকের শেষ প্রান্ত। যেখানে সাগরের ঢেউ এসে আছড়ে পরে ভূমির সান্নিদ্ধে। রয়েছে মন উজার করা সাড়ি সাড়ি ঝাঁউবন। বিস্তর এলাকাজুড়ে রয়েছে বালুর মাঠ। হঠাৎ দেখলে মনে হয়, “এযেন অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুইজারল্যান্ড”। স্থানীয়রা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে বাংলার “মিনি সুইজারল্যান্ড”। কুয়াকাটা ঘুরতে আসা পর্যটকদের অত্যান্ত আকর্ষণীয় একটি স্পট। তবে, সরকারের সু-দৃষ্টি এবং পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরো নান্দনিক স্পট হিসেবে গড়ে উঠবে “মিনি সুইজারল্যান্ড” এমনটাই মনে করছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
জানা যায়, কুয়াকাটার বীচ দিয়ে পূর্বদিকে গঙ্গামতি বীচ পয়েন্ট। এছাড়া কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ দিয়ে কয়েক কিলো পূর্বদিকে মটরসাইকেল কিংবা যেকোন যানবাহনযোগে আসা যায় গঙ্গামতি স্পটে। সেখান থেকে আরো দুই-তিন কিলো পূর্বে গেলেই চোখে পরবে মিনি সুইজারল্যান্ড। যার একপাশে বিশালাকার সাগর আর অপরপাশে রয়েছে সাড়ি সাড়ি ঝাঁউবন। এর মাঝখানে লাল কাকড়ার চর। যেখানে ছুটোছুটি করছে শত শত লাল কাকড়া। মানুষ কিংবা যানবাহনের শব্দ পেলেই টুস করে ঢুকে যায় গর্তে। সাগরের গর্জন আর লাল কাকড়াদের লুকোচুড়ি দেখতে দেখতেই চলে আসবে কাংখিত “মিনি সুইজারল্যান্ড”। এখানকার সৌন্দর্যে যেকারো মন ভালো হতে বাধ্য। তবে, দূর্গম যাতায়ত, পর্যটকদের ওয়াশ রুম এবং খাবার সংকটের নিরসন করা এখন সময়ের দাবী।
পটুয়াখালী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক নাঈমুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয় রুবেল খলিফা জানান, মিনি সুইজারল্যান্ডে ঘুরতে এসে তাদের খুব ভালো লাগছে। পড়ন্ত বিকেলে সমুদ্রের গর্জন এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। তবে, ওয়াশ রুমের ব্যবস্থা ও খাবারের ব্যবস্থা থাকলে আরো ভালো হতো বলে তারা জানান।
মিনি সুইজারল্যান্ডের ব্যবসায়ী তরিকুল বলেন, সরাসরি সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় সমুদ্রের পাড় দিয়ে এখানে আসতে হয়। এতে বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আসতে খুব অসুবিধা হয়। এসময় স্পটটি প্রায় পর্যটক শূন্য থাকে। এছাড়া, ওয়াশ রুমের অভাবে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয় নারী পর্যটকদের। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সড়ক ব্যবস্থা, ওয়াশরুম এবং খাবার হোটেলের ব্যবস্থা করলে মিনি সুইজারল্যান্ড একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেশ ও বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পাবে বলে দাবী করেন তিনি।
এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, কুয়াকাটা সীবিচ এবং মিনি সুইজারল্যান্ডসহ সবগুলো পর্যটন স্পট উন্নতিকরনে সরকারি পরিকল্পনা রয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এসকল কাজ শুরু হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।