ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে আসছেন মোঃ কাবিল উদ্দিন Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন

উদ্ধার নির্যাতিত হাতি, চাঁদাবাজ চক্রের মাহুত আটক

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৪৩৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বন বিভাগ ৩১ আগস্ট একটি হাতি উদ্ধার করেছে। হাতিটির নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। ৩০ আগস্ট বন অধিদপ্তরের দুটি টিম সারাদিন তল্লাশি চালায়। তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাতিটি দিয়ে চাঁদাবাজি করতে দেখে। সন্ধ্যার পর বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে মাহুত হাতিটি ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে, বন বিভাগের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে। সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও হাতিটি পাওয়া যায়নি।

অবশেষে, ৩১ আগস্ট দুপুরে একটি হাউজিং প্রকল্পের ঘাস বনে হাতিটি পাওয়া যায়। পরে হাতিটিকে ট্রাকে করে গাজীপুর সাফারি পার্কে নেওয়া হয়।

এর আগে, ২৯ আগস্ট কুমিল্লা থেকে আরেকটি হাতি উদ্ধার করা হয়েছিল। সেটিও নির্যাতনের শিকার ছিল এবং চাঁদাবাজিতে বাধ্য করা হচ্ছিল। সাফারি পার্কের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই দুই হাতির মাহুতেরা পরস্পর পরিচিত ছিল। উদ্ধার হওয়া হাতি দুটির কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

উদ্ধার নির্যাতিত হাতি, চাঁদাবাজ চক্রের মাহুত আটক

আপডেট সময় :

 

বন বিভাগ ৩১ আগস্ট একটি হাতি উদ্ধার করেছে। হাতিটির নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। ৩০ আগস্ট বন অধিদপ্তরের দুটি টিম সারাদিন তল্লাশি চালায়। তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাতিটি দিয়ে চাঁদাবাজি করতে দেখে। সন্ধ্যার পর বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে মাহুত হাতিটি ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে, বন বিভাগের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে। সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও হাতিটি পাওয়া যায়নি।

অবশেষে, ৩১ আগস্ট দুপুরে একটি হাউজিং প্রকল্পের ঘাস বনে হাতিটি পাওয়া যায়। পরে হাতিটিকে ট্রাকে করে গাজীপুর সাফারি পার্কে নেওয়া হয়।

এর আগে, ২৯ আগস্ট কুমিল্লা থেকে আরেকটি হাতি উদ্ধার করা হয়েছিল। সেটিও নির্যাতনের শিকার ছিল এবং চাঁদাবাজিতে বাধ্য করা হচ্ছিল। সাফারি পার্কের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই দুই হাতির মাহুতেরা পরস্পর পরিচিত ছিল। উদ্ধার হওয়া হাতি দুটির কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।