কাশিয়ানীতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ৩৮ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ভিত্তিহীন মিথ্যা, অপপ্রচারের পতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে, গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতার নাতী ও পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য মাসুম বিল্লাহ বিন নাজিম। গতকাল মঙ্গলবার(১৯মে)দুপুরে উপজেলার মাহমুদ ইউনিয়নের গোয়ালগ্রাম নতুন বাজার সিরাজ মার্কেটের একটি কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় মাসুম বিল্লাহ বিন নাজিম তার বক্তব্য বলেন-আমি গোয়াল গ্রাম কামিল মাদ্রাসা প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠাতা সদস্য । দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা, শিক্ষার পরিবেশ ও নৈতিক মান রক্ষায় কাজ করে আসছি।কিছুদিন আগে মাদ্রাসার অভ্যন্তরে বিভিন্ন অনিয়ম,শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সন্দেহজনক কার্যক্রমের অভিযোগ সামনে আসে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে আমি অধ্যক্ষ মহোদয়সহ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করি।তদন্ত চলাকালে জানা যায় যে,মাদ্রাসার কয়েকটি কক্ষে নির্ধারিত সময়ের বাইরে কিছু শিক্ষার্থী অবস্থান করত এবং কিছু ব্যক্তি তাদের সহযোগিতা করত বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সিসি ক্যামেরা নষ্ট করা,দরজা ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং নিয়মিত তদারকি বাধাগ্রস্ত করার ঘটনাও সামনে আসে।কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও ক্লাসে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগও উত্থাপিত হয়।এই সকল বিষয়ে তদন্ত ও শৃঙ্খলামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়ার পর হঠাৎ করেই আমার বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ এনে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানো হয়। আমি মনে করি,প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা এবং চলমান তদন্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের সাথে আমার কোনো অনৈতিক আচরণ, কথোপকথন বা ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটেনি। অভিযোগ কারী মেয়ে আমাদের কাছে বলেছে, জোর করে তাকে এই বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছে, আমি এই অভিযোগের নিরপেক্ষ,সুষ্ঠু ও আইনসম্মত তদন্ত দাবি করছি। আমি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি-যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করতে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করতে।মাসুম বিল্লাহ বলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আমাকে ফোন করে বলেছে মাদ্রাসায় যেতে না গেলে শিক্ষার্থীরা আমার বাড়িতে গিয়ে তুলে আনবে,এমনটাও বলেছে,তিনি আরো বলেন-আমার বিরুদ্ধে আনিত যে অভিযোগ উঠেছে এটা ভিত্তিহীন এবং ষড়যন্ত্র।এ সময় সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন মটু,ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন, সহ এলাকার শতাধিক বেক্তিবর্গ।সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ আগে মাদ্রাসা গেট প্রান্ত থেকে তাহেরিয়া খতমে কুরআন বাংলাদেশ সংগঠনের চার সদস্যকে কে আটক করে স্থানীয়রা,তারা এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে মিলিত হয়ে বড় ধরনের সহিংসতা ঘনানোর আসংখ্যা ছিলো, কারন তাদের ব্যবহীত ব্যাগে সুইচগিয়ার চাক্কু পাওয়া যায়।এক প্রকার চাপের মুখে বেরিয়ে আসে সব তথ্য,নারায়নগঞ্জ মাদ্রাসা থেকে ফয়জুল্লাহ নামে এক জন সহ মোট আটজন এসেছিলো তারা স্থানীয়দের তোপের মুখে ৪ জন পালিয়ে জায়,এবং ৪ জনকে কাশিয়ানী থানা পুলিশ আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে জায়, সবার বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলায়।উল্লেখ্য এর আগে গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসার শ্রেনী কক্ষ সহ কিছু জায়গার সিসি ক্যামেরা ও মোবাইলে ধারনকৃত ফুটেজ প্রতিবেদকের হাতে পৌছালে গোয়ালগ্রাম মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শ্রেনী কক্ষের সাথেই শিক্ষকদের আবাসিক রুম।ঘুমিয়ে আছে একজন শিক্ষক।তখন দুপুর দুইটা।ক্লাস না নিয়ে ঘুমাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি জানান একটু বিশ্রাম নিচ্ছি।অথচ তখন ঔ শিক্ষকের থাকার কথা ক্লাস রুমে।এমনসব ঘটনা ও বারংবার সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলার কারন নজরদারি করতে চেয়েছিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতার নাতী ও সাবেক সদস্য মাসুম বিল্লাহ বিন নাজিম,অল্পকিছু দিনের মধ্যে নতুন পরিচালনা কমিটি হবে সেখানে তার প্রস্তাবনা থাকায় কিছু ব্যক্তির সমস্যা দেখা দিয়েছে।এমনটা মনে করে শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে,আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে অপপ্রচার কারা হচ্ছে।

















