গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে ঐক্যের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ৭৬১ বার পড়া হয়েছে
গণমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের আয়না। তাই এটিকে নিখুঁত ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) আয়োজনে ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটি সংবাদপত্র ছাড়া অন্য সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনার স্মরণে সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “অতীতে গণমাধ্যমকে শক্তিশালী ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্যোগগুলো ছিল আংশিক ও অসম্পূর্ণ। ফলে দেশে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এ দায় অতীতের সব সরকারেরই রয়েছে।”
তিনি বলেন, “শুরুতেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ঐকমত্য তৈরি করা না গেলে এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে এক মঞ্চে আনা না গেলে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ ব্যর্থ হতে পারে।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, “বাংলাদেশে ভিন্নমতকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চর্চার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। তবে গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন মহলের মতামতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করেছে।”
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এনইসির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান।
গণমাধ্যমকে কোটারিমুক্ত ও জাতীয় চরিত্র দিতে চাই : মাহমুদুর রহমান
সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুর রহমান বলেন, “গণমাধ্যমকে কোটারিমুক্ত করে জাতীয় চরিত্র দিতে চাই। এ উদ্দেশ্যেই সংগঠনের নাম ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল’ রাখা হয়েছে, যেখানে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরের সম্পাদকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা গণমাধ্যমের প্রকৃত স্বাধীনতা চাই। আমি আমার মত প্রকাশ করব, কেউ দ্বিমত পোষণ করলে তিনি লিখে তার প্রতিবাদ করবেন। কোনোভাবেই কণ্ঠরোধ করা যাবে না। সব গণমাধ্যমের সম্পাদকীয় নীতি এক হবে না, তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব।”
আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে মাহমুদুর রহমান বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি চলে এসেছে। ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধের ঘটনাও তারই একটি উদাহরণ। ২০১৭ সালে একটি মন্তব্যের জেরে আমার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা হয়েছিল। সংবাদপত্রের প্রতি অসহিষ্ণুতা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ছিল এবং ভিন্নমত দমনের প্রবণতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা আত্মসমালোচনা করে ঐক্যের অংশ হতে চাইলে আপত্তি নেই। তবে যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বা গণহত্যাকে সমর্থন করেছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। অতীতে ক্ষতিগ্রস্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বর্তমান সরকার তা অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি।”
সেমিনারে বক্তব্য দেন নয়া দিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, পিআইবির চেয়ারম্যান ফারুক ওয়াসিফ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতারা।
এ সময় গ্রীন ওয়াচ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, নয়া দিগন্ত-এর নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, আমার দেশ-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, ডিএফপির মহাপরিচালক খালেদা বেগম, দৈনিক গণমুক্তির সম্পাদক ও প্রকাশক শাহাদাত হোসেন শাহীনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এনইসির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান।
গণমাধ্যমকে কোটারিমুক্ত ও জাতীয় চরিত্র দিতে চাই : মাহমুদুর রহমান
সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুর রহমান বলেন, “গণমাধ্যমকে কোটারিমুক্ত করে জাতীয় চরিত্র দিতে চাই। এ উদ্দেশ্যেই সংগঠনের নাম ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল’ রাখা হয়েছে, যেখানে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরের সম্পাদকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা গণমাধ্যমের প্রকৃত স্বাধীনতা চাই। আমি আমার মত প্রকাশ করব, কেউ দ্বিমত পোষণ করলে তিনি লিখে তার প্রতিবাদ করবেন। কোনোভাবেই কণ্ঠরোধ করা যাবে না। সব গণমাধ্যমের সম্পাদকীয় নীতি এক হবে না, তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব।”
আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে মাহমুদুর রহমান বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি চলে এসেছে। ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধের ঘটনাও তারই একটি উদাহরণ। ২০১৭ সালে একটি মন্তব্যের জেরে আমার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা হয়েছিল। সংবাদপত্রের প্রতি অসহিষ্ণুতা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ছিল এবং ভিন্নমত দমনের প্রবণতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা আত্মসমালোচনা করে ঐক্যের অংশ হতে চাইলে আপত্তি নেই। তবে যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বা গণহত্যাকে সমর্থন করেছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। অতীতে ক্ষতিগ্রস্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বর্তমান সরকার তা অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি।”
সেমিনারে বক্তব্য দেন নয়া দিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, পিআইবির চেয়ারম্যান ফারুক ওয়াসিফ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতারা।
এ সময় গ্রীন ওয়াচ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, নয়া দিগন্ত-এর নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, আমার দেশ-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, ডিএফপির মহাপরিচালক খালেদা বেগম, দৈনিক গণমুক্তির সম্পাদক ও প্রকাশক শাহাদাত হোসেন শাহীনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।




















