ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

নালিতাবাড়ীতে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস পালিত

মো: আজিনুর রহমান, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪৬১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেরপুর নালিতাবাড়ীতে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সেঁজুতি অঙ্গনে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সেঁজুতি বিদ্যানিকেতনের প্রিন্সিপাল মুনীরুজ্জামান। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।

পতাকা উত্তোলন শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা  নালিতাবাড়ী পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সেঁজুতি অঙ্গনে শেষ হয়। প্রিন্সিপাল মুনীরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে  বক্তব্য উপস্থাপন করেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের প্রভাষক স্বপ্না চক্রবর্তী,শিক্ষক শান্তি সাহা,শিক্ষক অরুপ দেবনাথ প্রমুখ।সঞ্চালনা করেন একুশে দ্যুতি ও চন্দ্রিকা দ্যুতি।বক্তারা বলেন‘১৯৭১ সালে তৎকালীন ইকবাল হলের(শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল)শিক্ষার্থীরা লাল সবুজের পতাকা বানিয়েছিল। এটিই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যেটি আমাদের ‌অনুপ্রেরণা ও শক্তিতে পরিণত হয়।২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস।পাকিস্তান দিবসে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করা হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে তার পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।এটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বক্তারা আরো বলেন,বিশ্বে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই যেটি একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পটভূমি তৈরি করে। রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ থেকে শুরু করে চুড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত যে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করেছিল সেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পেছনে যে সামাজিক,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি প্রয়োজন ছিল,সেটার প্রথম এবং প্রধান যোগানদাতা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক দিলারা বেগম,আফরোজা আক্তার,রওনক জাহান রুনি,শঙ্করী সূত্রধর,মনি গাঙ্গুলি,তনিমা ইসলাম,পারভীন আকতার,জেসমিন আকতার,নাজমা খাতুন,ফারজানা বেগম,মমতাজ বেগম,শিরিন বেগম,সুজান্না সাংমা,রাশেদা আকতার,রিক্তা আকতার,রত্না রহমতুল্লাহ,শর্মিলা শরীফ প্রমুখ।

উল্লেখ্য,১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রসমাবেশে ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রবের নেতৃত্বে ডাকসু নেতারা বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সেই পতাকার মাঝখানে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র। ধীনতার পর পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার মাপ ও রঙ নির্ধারণ করে এর পরিমার্জন করা হয়,যা আজ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝখানে লাল বৃত্ত, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নালিতাবাড়ীতে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস পালিত

আপডেট সময় :

শেরপুর নালিতাবাড়ীতে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সেঁজুতি অঙ্গনে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সেঁজুতি বিদ্যানিকেতনের প্রিন্সিপাল মুনীরুজ্জামান। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।

পতাকা উত্তোলন শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা  নালিতাবাড়ী পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সেঁজুতি অঙ্গনে শেষ হয়। প্রিন্সিপাল মুনীরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে  বক্তব্য উপস্থাপন করেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের প্রভাষক স্বপ্না চক্রবর্তী,শিক্ষক শান্তি সাহা,শিক্ষক অরুপ দেবনাথ প্রমুখ।সঞ্চালনা করেন একুশে দ্যুতি ও চন্দ্রিকা দ্যুতি।বক্তারা বলেন‘১৯৭১ সালে তৎকালীন ইকবাল হলের(শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল)শিক্ষার্থীরা লাল সবুজের পতাকা বানিয়েছিল। এটিই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যেটি আমাদের ‌অনুপ্রেরণা ও শক্তিতে পরিণত হয়।২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস।পাকিস্তান দিবসে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করা হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে তার পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।এটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বক্তারা আরো বলেন,বিশ্বে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই যেটি একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পটভূমি তৈরি করে। রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ থেকে শুরু করে চুড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত যে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করেছিল সেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পেছনে যে সামাজিক,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি প্রয়োজন ছিল,সেটার প্রথম এবং প্রধান যোগানদাতা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক দিলারা বেগম,আফরোজা আক্তার,রওনক জাহান রুনি,শঙ্করী সূত্রধর,মনি গাঙ্গুলি,তনিমা ইসলাম,পারভীন আকতার,জেসমিন আকতার,নাজমা খাতুন,ফারজানা বেগম,মমতাজ বেগম,শিরিন বেগম,সুজান্না সাংমা,রাশেদা আকতার,রিক্তা আকতার,রত্না রহমতুল্লাহ,শর্মিলা শরীফ প্রমুখ।

উল্লেখ্য,১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রসমাবেশে ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রবের নেতৃত্বে ডাকসু নেতারা বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সেই পতাকার মাঝখানে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র। ধীনতার পর পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার মাপ ও রঙ নির্ধারণ করে এর পরিমার্জন করা হয়,যা আজ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝখানে লাল বৃত্ত, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।