ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বাগেরহাটে মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন ও ভিডিও শো

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সহজে ও দ্রুততম সময়ে গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় জুন মাসব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে এই বার্ষিক ক্যাম্পেইন, ভিডিও শো ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১০ ইউনিয়নেই ভিডিও শো, ৪ ইউনিয়নে বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার ষাটগম্বুজ, ডেমা, বারইপাড়া, গোটাপাড়া, বিষ্ণুপুর, যাত্রাপুর, কাড়াপাড়া, খানপুর, বেমরতা ও রাখালগাছি—এই ১০টি ইউনিয়নের সবকটিতেই গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা নিয়ে সচেতনতামূলক বিশেষ ভিডিও শো অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি ইউনিয়ন—ষাটগম্বুজ, যাত্রাপুর, খানপুর ও বেমরতায় বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়। এবং ৪ ইউনিয়নের প্রতিটিতে ২০ জন করে মোট ৮০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
উপস্থিত অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: নাজমুল হাসান,প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার,বাগেরহাট
সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাগণ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ ও কৃষি কর্মকর্তাগণ।
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক (বাগেরহাট সদর)-এর ম্যানেজার।
স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ।
১০টি ইউনিয়নের এই জমকালো ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সমন্বয় ও দায়িত্ব পালনে ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা সমন্বয়কারী মনিরুল হক সরদার।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আয়োজকরা জানান, গ্রাম আদালতকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয়, কার্যকর ও গতিশীল করতেই এই প্রচারণামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন। এর মাধ্যমে মানুষ ঘরের কাছেই ছোটখাটো বিরোধের দ্রুত ও সুষ্ঠু সমাধান পাবেন, যা জেলা আদালতের ওপর চাপ কমাবে। ১০টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের এই কার্যক্রম সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাগেরহাটে মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন ও ভিডিও শো

আপডেট সময় :

সহজে ও দ্রুততম সময়ে গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় জুন মাসব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে এই বার্ষিক ক্যাম্পেইন, ভিডিও শো ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১০ ইউনিয়নেই ভিডিও শো, ৪ ইউনিয়নে বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার ষাটগম্বুজ, ডেমা, বারইপাড়া, গোটাপাড়া, বিষ্ণুপুর, যাত্রাপুর, কাড়াপাড়া, খানপুর, বেমরতা ও রাখালগাছি—এই ১০টি ইউনিয়নের সবকটিতেই গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা নিয়ে সচেতনতামূলক বিশেষ ভিডিও শো অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি ইউনিয়ন—ষাটগম্বুজ, যাত্রাপুর, খানপুর ও বেমরতায় বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়। এবং ৪ ইউনিয়নের প্রতিটিতে ২০ জন করে মোট ৮০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
উপস্থিত অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: নাজমুল হাসান,প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার,বাগেরহাট
সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাগণ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ ও কৃষি কর্মকর্তাগণ।
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক (বাগেরহাট সদর)-এর ম্যানেজার।
স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ।
১০টি ইউনিয়নের এই জমকালো ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সমন্বয় ও দায়িত্ব পালনে ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা সমন্বয়কারী মনিরুল হক সরদার।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আয়োজকরা জানান, গ্রাম আদালতকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয়, কার্যকর ও গতিশীল করতেই এই প্রচারণামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন। এর মাধ্যমে মানুষ ঘরের কাছেই ছোটখাটো বিরোধের দ্রুত ও সুষ্ঠু সমাধান পাবেন, যা জেলা আদালতের ওপর চাপ কমাবে। ১০টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের এই কার্যক্রম সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে।