ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ইসরাইলে ইরানের হামলার পর তেলের দাম কমেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইসরায়েলে ইরানের হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। অথচ ধারণা করা হয়েছিলো ইরানের হামলার পর থেকে বিশ্বাবজারে তেলের দাম বাড়বে।

তবে এই আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বাবজারে তেলের কিছু নিম্নমুখী। সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে এশিয়ান ট্রেডে কম মূল্যের প্রবণতাই দেখা গেছে। অবশ্য এটি প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলারের কাছাকাছিই ছিল বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের ওপর ইরান আক্রমণের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তেলের দাম এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছিল। বিগত ৬ মাসের মধ্যে গত সপ্তাহে তেলে দাম ছিল সর্বোচ্চ। গত সপ্তাহের শেষে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৯২ দশমিক ১৮ ডলার পর্যন্ত হয়েছিল।

গেল বছরের অক্টোবরের পর থেকে ধরলে সেটা ছিল সর্বোচ্চ। এর পর থেকে কমতে কমে তা ৯০ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমেছিল। সোমবার সকালে সেটা আরও ২০ থেকে ৩০ সেন্ট কমেছে।

ইরান বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করছে। তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ওপেকভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইরানের অবস্থান চতুর্থ। বিশ্বের মধ্যে সপ্তম। ইসরায়েলে হামলার পর থেকে সবসময়ই একটা পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় রয়েছে ইরান।

সে আঘাত ইরানের তেলক্ষেত্রের ওপর হতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিবেচনায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে তেলে দাম বাড়া-কমার ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালী একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলবাহী জাহাজ এই সমুদ্রপথ দিয়েই চলাচল করে।

ওপেকভূক্ত দেশ সৌদি আরব, ইরান, আরব আমিরাত, কুয়েত এবং ইরাক তাদের বেশির ভাগ তেল এ পথেই রপ্তানি করে। ওমান ও ইরানের মধ্যেকার সংবেদনশীল এই সমুদ্রপথটি শান্তিপূর্ণ থাকলে কমে যায় তেলের দাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইসরাইলে ইরানের হামলার পর তেলের দাম কমেছে

আপডেট সময় :

 

ইসরায়েলে ইরানের হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। অথচ ধারণা করা হয়েছিলো ইরানের হামলার পর থেকে বিশ্বাবজারে তেলের দাম বাড়বে।

তবে এই আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বাবজারে তেলের কিছু নিম্নমুখী। সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে এশিয়ান ট্রেডে কম মূল্যের প্রবণতাই দেখা গেছে। অবশ্য এটি প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলারের কাছাকাছিই ছিল বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের ওপর ইরান আক্রমণের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তেলের দাম এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছিল। বিগত ৬ মাসের মধ্যে গত সপ্তাহে তেলে দাম ছিল সর্বোচ্চ। গত সপ্তাহের শেষে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৯২ দশমিক ১৮ ডলার পর্যন্ত হয়েছিল।

গেল বছরের অক্টোবরের পর থেকে ধরলে সেটা ছিল সর্বোচ্চ। এর পর থেকে কমতে কমে তা ৯০ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমেছিল। সোমবার সকালে সেটা আরও ২০ থেকে ৩০ সেন্ট কমেছে।

ইরান বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করছে। তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ওপেকভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইরানের অবস্থান চতুর্থ। বিশ্বের মধ্যে সপ্তম। ইসরায়েলে হামলার পর থেকে সবসময়ই একটা পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় রয়েছে ইরান।

সে আঘাত ইরানের তেলক্ষেত্রের ওপর হতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিবেচনায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে তেলে দাম বাড়া-কমার ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালী একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলবাহী জাহাজ এই সমুদ্রপথ দিয়েই চলাচল করে।

ওপেকভূক্ত দেশ সৌদি আরব, ইরান, আরব আমিরাত, কুয়েত এবং ইরাক তাদের বেশির ভাগ তেল এ পথেই রপ্তানি করে। ওমান ও ইরানের মধ্যেকার সংবেদনশীল এই সমুদ্রপথটি শান্তিপূর্ণ থাকলে কমে যায় তেলের দাম।