ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

দিনাজপুরে এইচআইভি শনাক্তকরন ও চিকিৎসা সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রাজু বিশ্বাস, দিনাজপুর,
  • আপডেট সময় : ৬৫৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. এ.এইচ.এম বোরহান-উল-ইসলাম সিদ্দিকী বলেছেন, এইচআইভি মৃত্যুর ঝুঁকি বেশী। প্রতিটি পরিবারকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। একটি সুস্থ জাতি গড়ে তুলতে নিজেদের পরিবারকে সচেতন করতে হবে। তা হলেই ২০৪১ সালে সোনার বাংলা রুপান্তরে এবং ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।

বক্তারা বলেন, যারা এইচআইভিতে আক্রান্ত তাদেরকে দূরে ঠেলে দিলে চলবে না, তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। সমকামী, পুরুষ যৌনকর্মী, নারী যৌনকর্মী ও তৃতীয় লিঙ্গের যৌনকর্মী তারাও এই সমাজের অংশীদার। এর প্রতিরোধে সামাজিকভাবে ধর্মীয় অনুশাসনের নৈতিকতা জাগ্রত করতে হবে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) দিনাজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিগণ, ধর্মীয় নেতা, স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও স্টাফ নার্স বৃন্দদের অংশগ্রহনে এইডস/এসটিডি বিষয় কর্মশালায় উক্ত কথা বলেন সিভিল সার্জন।

কর্মশালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইডস/এসটিডি ডেপুটি ম্যানেজার ডা. ফাইজা মুকার রানা বক্তব্যে বলেন, ১৯৮৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর জেলায় মোট ৫৭ জন রোগীর এইচআইভি পজিটিভ রয়েছে। নিজেদের মধ্যে ধর্মীয় অনুশাসন ও সচেতনতা বাড়াতে সামাজিকভাবে সকল সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন রোগীকে কাউন্সিল করে তাকে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে। তাতে এইচআইভির বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন, ধর্মীয় নেতা ইমাম মোঃ তমিজউদ্দিন আহমেদ, দিনাজপুর ব্রাকের যক্ষা বিষয়ক উপশহর অফিসের ব্যবস্থাপক মোঃ আলাল উদ্দিন, দিনাজপুর সদর হাসপাতালের এইচআইভি কাউন্সিলর মোঃ আরাফাতসহ অন্যরা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করেন ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইটি বিশেষজ্ঞ মোঃ আলাল উদ্দিন চৌধুরী।

দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ’র সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সদর হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডা. মোঃ ফজলুর রহমান, দিনাজপুর সদর হাসপাতালে সিনিয়র মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. ওয়াহেদুল হক, আরএমও ডা. মোঃ পারভেজ সোহেল রানা, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডেপুটি সিভিল সার্জেন ডা. শাহ মুহাম্মদ শরীফ, জেলা প্রশাসনের এনডিসি মামুন সরকার, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. কাওসার আহমেদ ও সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দিনাজপুরে এইচআইভি শনাক্তকরন ও চিকিৎসা সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় :

 

দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. এ.এইচ.এম বোরহান-উল-ইসলাম সিদ্দিকী বলেছেন, এইচআইভি মৃত্যুর ঝুঁকি বেশী। প্রতিটি পরিবারকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। একটি সুস্থ জাতি গড়ে তুলতে নিজেদের পরিবারকে সচেতন করতে হবে। তা হলেই ২০৪১ সালে সোনার বাংলা রুপান্তরে এবং ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।

বক্তারা বলেন, যারা এইচআইভিতে আক্রান্ত তাদেরকে দূরে ঠেলে দিলে চলবে না, তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। সমকামী, পুরুষ যৌনকর্মী, নারী যৌনকর্মী ও তৃতীয় লিঙ্গের যৌনকর্মী তারাও এই সমাজের অংশীদার। এর প্রতিরোধে সামাজিকভাবে ধর্মীয় অনুশাসনের নৈতিকতা জাগ্রত করতে হবে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) দিনাজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিগণ, ধর্মীয় নেতা, স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও স্টাফ নার্স বৃন্দদের অংশগ্রহনে এইডস/এসটিডি বিষয় কর্মশালায় উক্ত কথা বলেন সিভিল সার্জন।

কর্মশালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইডস/এসটিডি ডেপুটি ম্যানেজার ডা. ফাইজা মুকার রানা বক্তব্যে বলেন, ১৯৮৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর জেলায় মোট ৫৭ জন রোগীর এইচআইভি পজিটিভ রয়েছে। নিজেদের মধ্যে ধর্মীয় অনুশাসন ও সচেতনতা বাড়াতে সামাজিকভাবে সকল সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন রোগীকে কাউন্সিল করে তাকে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে। তাতে এইচআইভির বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন, ধর্মীয় নেতা ইমাম মোঃ তমিজউদ্দিন আহমেদ, দিনাজপুর ব্রাকের যক্ষা বিষয়ক উপশহর অফিসের ব্যবস্থাপক মোঃ আলাল উদ্দিন, দিনাজপুর সদর হাসপাতালের এইচআইভি কাউন্সিলর মোঃ আরাফাতসহ অন্যরা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করেন ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইটি বিশেষজ্ঞ মোঃ আলাল উদ্দিন চৌধুরী।

দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ’র সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সদর হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডা. মোঃ ফজলুর রহমান, দিনাজপুর সদর হাসপাতালে সিনিয়র মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. ওয়াহেদুল হক, আরএমও ডা. মোঃ পারভেজ সোহেল রানা, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডেপুটি সিভিল সার্জেন ডা. শাহ মুহাম্মদ শরীফ, জেলা প্রশাসনের এনডিসি মামুন সরকার, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. কাওসার আহমেদ ও সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।