ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াল সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি উপকূলবাসী : ছবি সংগ্রহ

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের  ২৯ এপ্রিলের ভয়াল সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি উপকূলবাসী ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে বিস্তৃর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে আগাত হানে ঘূর্ণিঝড় হারিকেন। এসময় ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জ্বলোচ্ছাসে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বহু সংখ্যক মান ষের মৃত্যু ঘটে।

নদ-নদী ও উপকূলের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পরে থাকে মানবদেহ ও গৃহপালিত পশুর দেহ। খাল-বিল, নদী-নালা, ডোবা ছাপিয়ে সমুদ্রে ভেসে যায় হাজারো মানুষের মরদেহ।

স্বাধীনতার প্রায় ১৯ বছর পর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় হারিকেন তান্ডবে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়! এমন দৃশ্য আগে কখন দেখেনি মানুষ।

বিশ্বের ভয়াবহ এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ২০ ফুট উঁচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি। মানুষের পাশাপাশি প্রায় ২০ লাখ গবাদিপশুর মৃত্যু হয়। আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল

আপডেট সময় :

 

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের  ২৯ এপ্রিলের ভয়াল সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি উপকূলবাসী ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে বিস্তৃর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে আগাত হানে ঘূর্ণিঝড় হারিকেন। এসময় ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জ্বলোচ্ছাসে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বহু সংখ্যক মান ষের মৃত্যু ঘটে।

নদ-নদী ও উপকূলের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পরে থাকে মানবদেহ ও গৃহপালিত পশুর দেহ। খাল-বিল, নদী-নালা, ডোবা ছাপিয়ে সমুদ্রে ভেসে যায় হাজারো মানুষের মরদেহ।

স্বাধীনতার প্রায় ১৯ বছর পর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় হারিকেন তান্ডবে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়! এমন দৃশ্য আগে কখন দেখেনি মানুষ।

বিশ্বের ভয়াবহ এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ২০ ফুট উঁচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি। মানুষের পাশাপাশি প্রায় ২০ লাখ গবাদিপশুর মৃত্যু হয়। আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।