ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

গ্রীষ্মকালীন নাবি টমেটো চাষে কৃষকের মুখে হাসি

দিনাজপুর ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ৬০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃষি আবহমান বাংলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের মুলচালিকা শক্তি। জাতীয় খাদ্য উৎপাদনে দেশের সর্ব উত্তর পশ্চিমের শস্য ভান্ডার খ্যাত দিনাজপুর জেলার অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন। সেই দিক থেকে দিনাজপুর সদর উপজেলায় ১ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। গত বছর দিনাজপুর সদর উপজেলায় নাবি টমেটো ৮ শত ২০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছিল। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন হয়েছিল।
কিন্তু এবার নাবি টমেটোর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন। দিনাজপুর সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়। পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ৩০ হেক্টর জমিতে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে জৈব পদ্ধতিতে নাবি টমেটো চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলা হয়েছে। সদর উপজেলার শেখপুরা ইউনিয়নের কৃষক সাইদুর রহমান বলেন আমি পাটনার প্রকল্পের আওতায় ২ একর জমিতে নাবি টমেট্ োচাষাবাদ করি।
নাবি টমেটো চাষে ৬০ হাজার টাকা খরচর হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা টমেটো বাজারে বিক্রি করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে জুন মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত উৎপাদিত টমেটো বাজারজাত করতে পারব। কৃষক সাইদুর রহমান আরো জানান ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টমেটো বিক্রয় করতে পারবো। আরেক কৃষক শেফালী খাতুন বলেন, পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় আমিও ১ একর জমিতে নাবি টমেটো চাষ করি, তা বাজারজাত করে অনেক লাভবান হয়েছি। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছে। যেমন ট্রেনিং, উন্নত জৈব চাষাবাদ পদ্ধতি, উপকরণ সরবরাহসহ নানামুখী সহযোগিতা। পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় রামডুবি এলাকার কৃষক মোঃ রুবেল ইসলাম নাবি টমেটো চাষে একই কথা বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গ্রীষ্মকালীন নাবি টমেটো চাষে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় :

কৃষি আবহমান বাংলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের মুলচালিকা শক্তি। জাতীয় খাদ্য উৎপাদনে দেশের সর্ব উত্তর পশ্চিমের শস্য ভান্ডার খ্যাত দিনাজপুর জেলার অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন। সেই দিক থেকে দিনাজপুর সদর উপজেলায় ১ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। গত বছর দিনাজপুর সদর উপজেলায় নাবি টমেটো ৮ শত ২০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছিল। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন হয়েছিল।
কিন্তু এবার নাবি টমেটোর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন। দিনাজপুর সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়। পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ৩০ হেক্টর জমিতে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে জৈব পদ্ধতিতে নাবি টমেটো চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলা হয়েছে। সদর উপজেলার শেখপুরা ইউনিয়নের কৃষক সাইদুর রহমান বলেন আমি পাটনার প্রকল্পের আওতায় ২ একর জমিতে নাবি টমেট্ োচাষাবাদ করি।
নাবি টমেটো চাষে ৬০ হাজার টাকা খরচর হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা টমেটো বাজারে বিক্রি করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে জুন মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত উৎপাদিত টমেটো বাজারজাত করতে পারব। কৃষক সাইদুর রহমান আরো জানান ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টমেটো বিক্রয় করতে পারবো। আরেক কৃষক শেফালী খাতুন বলেন, পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় আমিও ১ একর জমিতে নাবি টমেটো চাষ করি, তা বাজারজাত করে অনেক লাভবান হয়েছি। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছে। যেমন ট্রেনিং, উন্নত জৈব চাষাবাদ পদ্ধতি, উপকরণ সরবরাহসহ নানামুখী সহযোগিতা। পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় রামডুবি এলাকার কৃষক মোঃ রুবেল ইসলাম নাবি টমেটো চাষে একই কথা বলেন।