ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘অন্যদের সমালোচনা বা বিচার করার নৈতিক অবস্থানে নেই জাপান’ Logo এক সুতোয় চীন-ফ্রান্স-ইউরোপ: বেইজিংয়ে ব্যতিক্রমীি আলোকচিত্র প্রদর্শনী Logo উষ্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবেলায় চীনের শীতল-শহর উদ্যোগ Logo একক-পরমাণু অনুঘটক ধারণার প্রবর্তন করে রসায়ন শিল্পে পরিবর্তন আনলো চীন Logo চীনের তিন-স্তরের জাতীয় প্রবীণ পরিচর্যা নেটওয়ার্ক গঠনের পরিকল্পনা Logo সিলেটের দক্ষিণ সুরমা সিএনজি অটোরিক্সা-অটোটেম্পু শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভা Logo কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটি ঘোষণা Logo মহেশপুরে ড্রেন নির্মাণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু Logo মহেশপুরে দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ Logo ঝিনাইদহে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ

ঝিনাইদহে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪৩ বার পড়া হয়েছে

oplus_0

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহে সালিশের নামে চাঁদাবাজির নাটক সাজিয়ে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। সালিশে রাজি না হওয়ায় ও ভিকটিমের পরিবারের পক্ষে কথা বলার কারণে যুবদল নেতাকে কৌশলে ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সনাতনী সম্প্রদায়ের কয়েকজন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সনাতনী সম্প্রদায়ের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রেমা রানী সাহা।
ভুক্তভোগী নারী তার বক্তব্যে জানান, ফরিদপুর সদর উপজেলার বোয়ালমারি এলাকার প্রণয় সাহার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরে নানা কারণে বনিবনা না হওয়ায় ওই নারী তার স্বামীকে তালাক দেন। এ নিয়ে স্বামীর পরিবারের লোকজন ওই নারী সহ তার বাবা, মা কে হত্যার হুমকি দেয়। এতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিবেশী যুবদল নেতা আতিয়ার রহমানের স্মরণাপন্ন হন। আতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। পরে যুবদল নেতা আতিয়ার রহমান ওই নারীর তালাকপ্রাপ্ত স্বামী ও স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ফরিদপুরের প্রণয় সাহা তার সাবেক স্ত্রীর প্রতিবেশী ও যুবদল নেতা আতিয়ারকে চাঁদার বিনিময়ে পারিবারিক সমস্যা সমাধান করার অনুরোধ জানায়। ওই সময় যুবদল নেতা আতিয়ার ও ভুক্তভোগী নারী প্রেমা সাহা ও তার স্বজনরা মোবাইল ফোনের কথোপকথন শুনেন। এক পর্যায়ে আতিয়ার রহমান চাঁদা বা অনৈতিক ভাবে অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে পারিবারিক সমস্যা মিটিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারীর তালাকপ্রাপ্ত স্বামী কথোপকথনের একটি রেকর্ড কাটছাট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টি নজরে এলে সম্প্রতি ঝিনাইদহ জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত আদেশে যুবদল নেতা আতিয়ার রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেমা রানী সাহা বলেন, আতিয়ার রহমান ভাই আমাদের প্রতিবেশী। তিনি গ্রামের সকল সনাতনীদের দেখাশোনা করেন। আজকে তাকে ফাসানো হয়েছে। আমার সাবেক স্বামীর সঙ্গে যখন যুবদল নেতা আতিয়ার রহমানের কথা হচ্ছিল, আমার মা-বাবা ও আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমরা সবাই কথোপকথন শুনেছি। সেখানে চাঁদাবাজি বা চাঁদা দাবির কোনো কথাই ছিল না। আতিয়ার ভাই, আমাদের পক্ষ নেয়ার কারণে তাকে ফাসিয়ে দিয়ে দল থেকে বহিষ্কার করানো হয়েছে। আমরা তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ

আপডেট সময় :

ঝিনাইদহে সালিশের নামে চাঁদাবাজির নাটক সাজিয়ে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। সালিশে রাজি না হওয়ায় ও ভিকটিমের পরিবারের পক্ষে কথা বলার কারণে যুবদল নেতাকে কৌশলে ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সনাতনী সম্প্রদায়ের কয়েকজন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সনাতনী সম্প্রদায়ের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রেমা রানী সাহা।
ভুক্তভোগী নারী তার বক্তব্যে জানান, ফরিদপুর সদর উপজেলার বোয়ালমারি এলাকার প্রণয় সাহার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরে নানা কারণে বনিবনা না হওয়ায় ওই নারী তার স্বামীকে তালাক দেন। এ নিয়ে স্বামীর পরিবারের লোকজন ওই নারী সহ তার বাবা, মা কে হত্যার হুমকি দেয়। এতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিবেশী যুবদল নেতা আতিয়ার রহমানের স্মরণাপন্ন হন। আতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। পরে যুবদল নেতা আতিয়ার রহমান ওই নারীর তালাকপ্রাপ্ত স্বামী ও স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ফরিদপুরের প্রণয় সাহা তার সাবেক স্ত্রীর প্রতিবেশী ও যুবদল নেতা আতিয়ারকে চাঁদার বিনিময়ে পারিবারিক সমস্যা সমাধান করার অনুরোধ জানায়। ওই সময় যুবদল নেতা আতিয়ার ও ভুক্তভোগী নারী প্রেমা সাহা ও তার স্বজনরা মোবাইল ফোনের কথোপকথন শুনেন। এক পর্যায়ে আতিয়ার রহমান চাঁদা বা অনৈতিক ভাবে অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে পারিবারিক সমস্যা মিটিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারীর তালাকপ্রাপ্ত স্বামী কথোপকথনের একটি রেকর্ড কাটছাট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টি নজরে এলে সম্প্রতি ঝিনাইদহ জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত আদেশে যুবদল নেতা আতিয়ার রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেমা রানী সাহা বলেন, আতিয়ার রহমান ভাই আমাদের প্রতিবেশী। তিনি গ্রামের সকল সনাতনীদের দেখাশোনা করেন। আজকে তাকে ফাসানো হয়েছে। আমার সাবেক স্বামীর সঙ্গে যখন যুবদল নেতা আতিয়ার রহমানের কথা হচ্ছিল, আমার মা-বাবা ও আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমরা সবাই কথোপকথন শুনেছি। সেখানে চাঁদাবাজি বা চাঁদা দাবির কোনো কথাই ছিল না। আতিয়ার ভাই, আমাদের পক্ষ নেয়ার কারণে তাকে ফাসিয়ে দিয়ে দল থেকে বহিষ্কার করানো হয়েছে। আমরা তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই।