ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

নবীনগরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঐ অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ।
তবে ঘটনাটি সম্পূর্ণ ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ঐ নারী বাদী হয়ে নবীনগর থানায় মামলা করেছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়- জিনোদপুরে অবস্থিত মারকাজুত তাজবীদ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ‘পরিচালক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন স্থানীয় মেরকুটা গ্রামের বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন (৩০)।
পুলিশ জানায়- গতকাল (১৫/৫/২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ওই মাদ্রাসায় অধ্যয়ণরত ১১ বছরের এক ছাত্রকে দেখতে যান উপজেলার আলীয়াবাদ গ্রামের বাসিন্দা ওই শিক্ষার্থীর মা (২৮)। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, ছেলেকে দেখতে গিয়ে যখন মাদ্রাসার ওয়েটিং রুমে ওই মা অপেক্ষা করছিলেন, তখনই মাদ্রাসার পরিচালক কক্ষে ঢুকে ওই মহিলাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দু’জনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ও থানার ওসি মোর্শেদুল আলম চৌধুরী দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে দু’জনকে রাতেই আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে- পুরো ঘটনাটিই পূর্ব পরিকল্পিত ও ‘ষড়যন্ত্রমূলক’। মূলত মাদ্রাসার ওই পরিচালককে জেলে পাঠাতেই এই পরিকল্পিত ‘নাটক’ মঞ্চস্ত করা হয়।
এ বিষয়ে নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ও ওসি মোরশেদ আলম মন্ত্রীর প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকায়, বারবার চেষ্টা করেও তাঁদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বললে-“ঘটনাটি ষড়যন্ত্র কিনা, সেটি মাননীয় আদালতই বিচার করবেন। তবে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মাদ্রাসার পরিচালককে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ ওই মাদ্রাসা পরিচালককে গ্রেপ্তার করে কোর্টে চালান করা হয়েছে।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নবীনগরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঐ অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ।
তবে ঘটনাটি সম্পূর্ণ ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ঐ নারী বাদী হয়ে নবীনগর থানায় মামলা করেছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়- জিনোদপুরে অবস্থিত মারকাজুত তাজবীদ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ‘পরিচালক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন স্থানীয় মেরকুটা গ্রামের বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন (৩০)।
পুলিশ জানায়- গতকাল (১৫/৫/২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ওই মাদ্রাসায় অধ্যয়ণরত ১১ বছরের এক ছাত্রকে দেখতে যান উপজেলার আলীয়াবাদ গ্রামের বাসিন্দা ওই শিক্ষার্থীর মা (২৮)। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, ছেলেকে দেখতে গিয়ে যখন মাদ্রাসার ওয়েটিং রুমে ওই মা অপেক্ষা করছিলেন, তখনই মাদ্রাসার পরিচালক কক্ষে ঢুকে ওই মহিলাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দু’জনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ও থানার ওসি মোর্শেদুল আলম চৌধুরী দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে দু’জনকে রাতেই আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে- পুরো ঘটনাটিই পূর্ব পরিকল্পিত ও ‘ষড়যন্ত্রমূলক’। মূলত মাদ্রাসার ওই পরিচালককে জেলে পাঠাতেই এই পরিকল্পিত ‘নাটক’ মঞ্চস্ত করা হয়।
এ বিষয়ে নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ও ওসি মোরশেদ আলম মন্ত্রীর প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকায়, বারবার চেষ্টা করেও তাঁদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বললে-“ঘটনাটি ষড়যন্ত্র কিনা, সেটি মাননীয় আদালতই বিচার করবেন। তবে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মাদ্রাসার পরিচালককে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ ওই মাদ্রাসা পরিচালককে গ্রেপ্তার করে কোর্টে চালান করা হয়েছে।”