নাটোরে নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়ন কর্মশালা।
- আপডেট সময় : ১৩ বার পড়া হয়েছে
নাটোরে নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত।
গতকাল শনিবার ১৬ মে সাহারা রেস্টুরেন্ট কানাইখালি অনির্বাণ কর্ম সংস্থান এবং বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংস্থার আয়োজনে অনির্বাণ কর্মসংস্থান নাটোর নির্বাহী পরিচালক প্রভাতী রানী বসাক এর সার্বিক পরিচালনায় নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ের পরিবর্তিত পেক্ষাপট বিবেচনায় নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডার স্থানীয় ইস্যু চিহ্নিতকরণ এবং এ সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বিষয়ে সারা দিনব্যাপী একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউএন উইমেন -এর আর্থিক সহায়তা নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়ন কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা থেকে আগত প্রজেক্ট এসিস্ট্যান্ট কো অর্ডিনেটর সেঁজুতি ধর। সমাজসেবা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মঞ্জিরা পারভীন, অনির্বাণ কর্মসংস্থা সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা, কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, সাংবাদিক এনজিও প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করে। না কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আলোচনায় বলেন,
নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা হলো বিশ্বব্যাপী এমন একটি রূপরেখা যা সংঘাত প্রতিরোধ ও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ, সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ১৩২৫ এর মাধ্যমে এই এজেন্ডা প্রতিষ্ঠিত হয়।১. এজেন্ডার মূল স্তম্ভসমূহ:অংশগ্রহণ : শান্তি আলোচনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সব পর্যায়ে নারীদের অর্থপূর্ণ ও সমান প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।সুরক্ষা : যুদ্ধ ও সহিংস পরিস্থিতিতে নারী ও কন্যাশিশুদের যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা থেকে সুরক্ষা দেওয়া।প্রতিরোধ : সংঘাতের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে সহিংসতা ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখা। ত্রাণ ও পুনর্বাসন : যেকোনো দুর্যোগ বা সংঘাত পরবর্তী সময়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে নারীদের সুনির্দিষ্ট চাহিদা ও অধিকারকে প্রাধান্য দেওয়া। বাস্তবায়নে করণীয় ও চ্যালেঞ্জ:নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তি: রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বোর্ডে নারীদের অংশগ্রহণ শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল দায়িত্বে তাদের আসন নিশ্চিত করা। আইনের কঠোর প্রয়োগ: নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে বিদ্যমান আইনগুলোর কঠোর বাস্তবায়ন এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা প্রদান করা। সচেতনতা বৃদ্ধি: সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনতে তৃণমূলে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা এবং পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার অবসান ঘটানো। টেকসই শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব। তাই এজেন্ডা বাস্তবায়নে রাষ্ট্র, সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি।


















