ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

শেরপুরের মাদকসেবীদের আড্ডা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা থেকে বালেন্দা বিশ্বা-তিরাইল পাকা সড়কের আশপাশের ফাঁকা স্থানে নিয়মিত মাদকসেবী ও অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের আনাগোনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সন্ধ্যার পর থেকে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল কমে গেলেও মাদকসেবীদের আড্ডা জমে ওঠে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল রোববার বিশ্বা ও তিরাইল এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, রাত ৮টার পর থেকে স্থানীয় কিছু যুবক এবং বাইরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন সড়কের পাশের নির্জন স্থানে জড়ো হয়ে মাদক সেবন করে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বাসিন্দা জানান, মাদকসেবীদের উৎপাতের কারণে সন্ধ্যার পর নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তারা অভিযোগ করেন, মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে নানা ধরনের হয়রানি ও হুমকির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের দাবি, কিছুদিন আগে বিশ্বা গ্রামের সিরাজের বাড়ি থেকে একটি অটোরিকশা (ভ্যান) চুরি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে অপরাধপ্রবণ চক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এলাকাবাসী দ্রুত ওই এলাকায় নিয়মিত পুলিশ টহল বৃদ্ধি এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঊনুদ্দিন বলেন, “শেরুয়া বটতলা থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত আমাদের টহল দল নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। গ্রামের ভেতরে ছিনতাইয়ের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে মাদক ও অপরাধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ফিরে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শেরপুরের মাদকসেবীদের আড্ডা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

আপডেট সময় :

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা থেকে বালেন্দা বিশ্বা-তিরাইল পাকা সড়কের আশপাশের ফাঁকা স্থানে নিয়মিত মাদকসেবী ও অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের আনাগোনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সন্ধ্যার পর থেকে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল কমে গেলেও মাদকসেবীদের আড্ডা জমে ওঠে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল রোববার বিশ্বা ও তিরাইল এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, রাত ৮টার পর থেকে স্থানীয় কিছু যুবক এবং বাইরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন সড়কের পাশের নির্জন স্থানে জড়ো হয়ে মাদক সেবন করে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বাসিন্দা জানান, মাদকসেবীদের উৎপাতের কারণে সন্ধ্যার পর নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তারা অভিযোগ করেন, মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে নানা ধরনের হয়রানি ও হুমকির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের দাবি, কিছুদিন আগে বিশ্বা গ্রামের সিরাজের বাড়ি থেকে একটি অটোরিকশা (ভ্যান) চুরি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে অপরাধপ্রবণ চক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এলাকাবাসী দ্রুত ওই এলাকায় নিয়মিত পুলিশ টহল বৃদ্ধি এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঊনুদ্দিন বলেন, “শেরুয়া বটতলা থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত আমাদের টহল দল নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। গ্রামের ভেতরে ছিনতাইয়ের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে মাদক ও অপরাধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ফিরে আসবে।