ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

নোয়াখালীতে ৫ দফা দাবিতে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

গাজী রুবেল, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান
  • আপডেট সময় : ৩৫৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প (৮ম পর্যায়) পাশ সহ ৫ দফা দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ। রোববার দুপুরে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ নোয়াখালী শাখার আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করেন জেলার মসজিদ ভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫শতাধিক শিক্ষক। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের নোয়াখালীর ফিল্ড অফিসার মো. খোরশেদ আলম, ফিল্ড সুপারভাইজার মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম হেলালি, মো: সোহেল মাহমুদ ও মো. মনির হোসেন’সহ অনেকে।

পাঁচ দফা দাবিসমূহ হলো:

১. প্রকল্প স্থায়ীকরণ করতে হবে। কোন ভাবেই আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নেওয়া যাবেনা।
২. নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প (৮ম পর্যায়) মাহে রমজানের মধ্যে পাশ করতে হবে।
৩. বেতন বৃদ্ধি সহ ঈদুল ফিতরের পূর্বে বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে।
৪. শিক্ষক / শিক্ষিকাগণের প্রয়োজনে কেন্দ্র স্থানান্তরের সুযোগ প্রদান করতে হবে।
৫. শিক্ষক / শিক্ষিকাগণ অসুস্থ্য, অবসর অথবা মৃত্যুবরণ করলে শিক্ষক তহবিল গঠন করে এককালীন অর্থ প্রদান করতে হবে।

মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ৭ম পর্যায় (৩১.১২.২০২৪ খ্রি.) পর্যন্ত অত্যন্ত সফলতা ও সুনামের সাথে সারা দেশব্যাপী ৭৩ হাজার ৭৬৮টি শিক্ষা কেন্দ্র ও ২ হাজার ৫০টি রিসোর্স সেন্টারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েও বর্তমানে এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে সাড়া দেশের মসজিদ অবকাঠামো ব্যবহার করে দারিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদেরকে বিনামূল্যে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ, কিশোর কিশোরী ও বয়স্কদের পবিত্র কুরআন শিক্ষা, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ শিক্ষা দান করে আসছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, আলেম ওলামা ও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত বেকার নারী ও পুরুষের দারিদ্র্যতা দূরীকরণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম) পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন হলেও দীর্ঘ ৩২ বছরের এই শিক্ষামূলক প্রকল্পটিকে আউটসোসিং করার চিন্তা ভাবনা চলছে। যেখানে ৯% হিন্দুদের মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি আউটসোর্সিং করা হয়নি সেখানে ৯০% মুসলমানের দেশে কুরআন শিক্ষা প্রকল্পকে আউটসোর্সিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে কুরআন শিক্ষার প্রকল্পটি ধ্বংস করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে ৫ দফা দাবিতে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

আপডেট সময় :

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প (৮ম পর্যায়) পাশ সহ ৫ দফা দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ। রোববার দুপুরে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ নোয়াখালী শাখার আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করেন জেলার মসজিদ ভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫শতাধিক শিক্ষক। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের নোয়াখালীর ফিল্ড অফিসার মো. খোরশেদ আলম, ফিল্ড সুপারভাইজার মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম হেলালি, মো: সোহেল মাহমুদ ও মো. মনির হোসেন’সহ অনেকে।

পাঁচ দফা দাবিসমূহ হলো:

১. প্রকল্প স্থায়ীকরণ করতে হবে। কোন ভাবেই আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নেওয়া যাবেনা।
২. নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প (৮ম পর্যায়) মাহে রমজানের মধ্যে পাশ করতে হবে।
৩. বেতন বৃদ্ধি সহ ঈদুল ফিতরের পূর্বে বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে।
৪. শিক্ষক / শিক্ষিকাগণের প্রয়োজনে কেন্দ্র স্থানান্তরের সুযোগ প্রদান করতে হবে।
৫. শিক্ষক / শিক্ষিকাগণ অসুস্থ্য, অবসর অথবা মৃত্যুবরণ করলে শিক্ষক তহবিল গঠন করে এককালীন অর্থ প্রদান করতে হবে।

মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ৭ম পর্যায় (৩১.১২.২০২৪ খ্রি.) পর্যন্ত অত্যন্ত সফলতা ও সুনামের সাথে সারা দেশব্যাপী ৭৩ হাজার ৭৬৮টি শিক্ষা কেন্দ্র ও ২ হাজার ৫০টি রিসোর্স সেন্টারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েও বর্তমানে এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে সাড়া দেশের মসজিদ অবকাঠামো ব্যবহার করে দারিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদেরকে বিনামূল্যে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ, কিশোর কিশোরী ও বয়স্কদের পবিত্র কুরআন শিক্ষা, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ শিক্ষা দান করে আসছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, আলেম ওলামা ও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত বেকার নারী ও পুরুষের দারিদ্র্যতা দূরীকরণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম) পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন হলেও দীর্ঘ ৩২ বছরের এই শিক্ষামূলক প্রকল্পটিকে আউটসোসিং করার চিন্তা ভাবনা চলছে। যেখানে ৯% হিন্দুদের মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি আউটসোর্সিং করা হয়নি সেখানে ৯০% মুসলমানের দেশে কুরআন শিক্ষা প্রকল্পকে আউটসোর্সিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে কুরআন শিক্ষার প্রকল্পটি ধ্বংস করা হবে।