ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

ঝালকাঠি সওজ কর্মচারি নবীন কান্ড

বেনামি দরখাস্ত দিয়ে সহকর্মীকে হয়রানি

ঝালকাঠি অফিস
  • আপডেট সময় : ৩৫২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর মো. নূর নবীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে সহকর্মীর নামে ভূয়া পরিচয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মো. নূর নবীন হাওলাদার একই কর্মস্থলে দীর্ঘ ২৩বছর ধরে চাকুরি করছেন। অদৃশ্য ক্ষমতার প্রভাবে ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগে প্রভাব বিস্তার করে চলছেন নূর নবীন। নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আড়াল করতে একই বিভাগের আরেক কম্পিউটার অপারেটর বাদশা তালুকদারের বিরুদ্ধে ভূয়া অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছেন নবীন। সওজ’র প্রধান প্রকৌশলীর কাছে অভিযোগকারী হিসেবে জনৈক ঠিকাদার ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিঠু’র নাম ব্যবহার করে সেখানে নবীনের নিজের মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি অনলাইনে এ অভিযোগ করেছেন। যার যথাযথ ডকুমেন্ট প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত।
এছাড়াও ডাকযোগে প্রেরিত আরেকটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্যানুসন্ধানে মিথ্যা ও ভূয়া প্রমাণিত হয়। সেখানে ঠিকাদার ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিঠু, আনোয়ার হোসেন, মো. মাইনুল, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. জাহিদ হোসেন, মো. রিয়াজ, তৌহিদুল ইসলাম, মো. দুলাল’র নাম ব্যবহার করা হয়। জামাল হোসেন মিঠু ও মো. জাহিদ হোসেনের ইংরেজিতে স্বাক্ষর রয়েছে। মো. আনোয়ার হোসেন, মো. মাইনুল, মো. রিয়াজ, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. দুলালের বাংলায় স্বাক্ষর রয়েছে। নামের ধরন ও স্বাক্ষর দেখে যে কোন সচেতন ব্যক্তিরই মনে হবে এটা একই লোকের কারসাজি। স্বাক্ষরগুলো একই হাতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে করা হয়েছে। কোন নামের ব্যক্তির সাথেই যোগাযোগের জন্য মোবাইল বা টেলিফোন নম্বর উল্লেখ করেন নাই।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বাদশা তালুকদার জানান, ঝালকাঠি সওজ অধিদপ্তরের মো. নূর নবীন হাওলাদার আমার নামে একের পর এক ভুয়া ও মিথ্যা অভিযোগ দিয়েই যাচ্ছে। এতে আমার উর্ধ্বতন দপ্তরে সম্মানহানী হচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে মিথ্যা বলেই অভিহিত করেছে।
এব্যাপারে মো. নূর নবীন হাওলাদার বলেন, আমি এসব অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানি না। হয়তো যে বা যারা ভুক্তভোগী তারাই অভিযোগ দিয়েছে। হীনস্বার্থে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠি সওজ কর্মচারি নবীন কান্ড

বেনামি দরখাস্ত দিয়ে সহকর্মীকে হয়রানি

আপডেট সময় :

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর মো. নূর নবীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে সহকর্মীর নামে ভূয়া পরিচয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মো. নূর নবীন হাওলাদার একই কর্মস্থলে দীর্ঘ ২৩বছর ধরে চাকুরি করছেন। অদৃশ্য ক্ষমতার প্রভাবে ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগে প্রভাব বিস্তার করে চলছেন নূর নবীন। নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আড়াল করতে একই বিভাগের আরেক কম্পিউটার অপারেটর বাদশা তালুকদারের বিরুদ্ধে ভূয়া অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছেন নবীন। সওজ’র প্রধান প্রকৌশলীর কাছে অভিযোগকারী হিসেবে জনৈক ঠিকাদার ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিঠু’র নাম ব্যবহার করে সেখানে নবীনের নিজের মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি অনলাইনে এ অভিযোগ করেছেন। যার যথাযথ ডকুমেন্ট প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত।
এছাড়াও ডাকযোগে প্রেরিত আরেকটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্যানুসন্ধানে মিথ্যা ও ভূয়া প্রমাণিত হয়। সেখানে ঠিকাদার ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিঠু, আনোয়ার হোসেন, মো. মাইনুল, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. জাহিদ হোসেন, মো. রিয়াজ, তৌহিদুল ইসলাম, মো. দুলাল’র নাম ব্যবহার করা হয়। জামাল হোসেন মিঠু ও মো. জাহিদ হোসেনের ইংরেজিতে স্বাক্ষর রয়েছে। মো. আনোয়ার হোসেন, মো. মাইনুল, মো. রিয়াজ, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. দুলালের বাংলায় স্বাক্ষর রয়েছে। নামের ধরন ও স্বাক্ষর দেখে যে কোন সচেতন ব্যক্তিরই মনে হবে এটা একই লোকের কারসাজি। স্বাক্ষরগুলো একই হাতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে করা হয়েছে। কোন নামের ব্যক্তির সাথেই যোগাযোগের জন্য মোবাইল বা টেলিফোন নম্বর উল্লেখ করেন নাই।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বাদশা তালুকদার জানান, ঝালকাঠি সওজ অধিদপ্তরের মো. নূর নবীন হাওলাদার আমার নামে একের পর এক ভুয়া ও মিথ্যা অভিযোগ দিয়েই যাচ্ছে। এতে আমার উর্ধ্বতন দপ্তরে সম্মানহানী হচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে মিথ্যা বলেই অভিহিত করেছে।
এব্যাপারে মো. নূর নবীন হাওলাদার বলেন, আমি এসব অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানি না। হয়তো যে বা যারা ভুক্তভোগী তারাই অভিযোগ দিয়েছে। হীনস্বার্থে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।