ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান Logo আওয়ামীলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে যুবদলের অবস্থান Logo অনিয়ম, দুর্নীতি এবং শিক্ষার মান নিয়ে অসন্তোষে অভিভাবকরা Logo দেওয়ানগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদন্ড Logo শেরপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo সুবর্ণচরে ২৬৭ কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ Logo বাইশারীর হাতির ডেরা এলাকা থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার

মধুখালীতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

মধুখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছোট ভাই রাজ শ্রমিক হারুন ফকিরকে তার নিজ ঘরে হাত-পা বেঁধে আপন বড় ভাই রেলের কর্মচারী মুছা ফকির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ঘরের আসবাবপত্র, ভাঙচুর নগদ, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট পাটের অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের ভাটিকান্দি মথুরাপুর গ্রামে ঘটেছে, গতকাল ভুক্তভোগী হারুন ফকির ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ঘটনার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও আমাদের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়নি, হারুন ফকির সাংবাদিকদের বলেন ঘটনার দিন আমার স্ত্রী বাড়িতে ছিল না, সেই সুযোগে রাত তিনটার সময় আমার মায়ের পেটের ভাই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আমার ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আমার হাত পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে রাখে, অতঃপর আলমারি ভাঙ্গিয়া নগর ২ লক্ষ টাকা ও আমার স্ত্রীর দুই ভরি স্বর্ণ নিয়ে যায়, এছাড়া ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভেঙ্গে চুরমার করে, এছাড়া আমাকেও আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়, আমি মধুখালী থানায় মামলা করিতে গেলে আমার মামলা থানা পুলিশ নিতে অস্বীকার করলে আমি ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। বর্তমান মামলাটি তদন্তাধীন আছে। হারুন ফকিরের স্ত্রী ফরিদা বেগম সাংবাদিকদের কাছে বলেন আমার পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে মুছা ফকির, যেকোনো সময় আমারও আমার পরিবারকে মুসা ফকির হত্যা করতে পারে, আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনার সময় মুসা ফকির এর সাথে তার সহযোগী বাঁকা মোল্লা, রেহেনা বেগম শাহিনা বেগম,ও শাহানা বেগম ছিলেন বলে ভুক্তভোগী হারুন উল্লেখ করেন, এ ব্যাপারে জানতে মুসা ফকিরের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি, সরজমিনে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় গাজনা ইউনিয়নের সাহেব আলী ফকিরের ছেলে মুসা ফকির দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক, ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে রেল কোম্পানিতে চাকরি করছে, বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অবগত আছে, এ ছাড়া মুছা ফকির এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে রাখায় তার ভয়ে কেউ মুখ খোলে না,তার বিরুদ্ধে এলাকায় নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মধুখালীতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট সময় :

ছোট ভাই রাজ শ্রমিক হারুন ফকিরকে তার নিজ ঘরে হাত-পা বেঁধে আপন বড় ভাই রেলের কর্মচারী মুছা ফকির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ঘরের আসবাবপত্র, ভাঙচুর নগদ, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট পাটের অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের ভাটিকান্দি মথুরাপুর গ্রামে ঘটেছে, গতকাল ভুক্তভোগী হারুন ফকির ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ঘটনার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও আমাদের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়নি, হারুন ফকির সাংবাদিকদের বলেন ঘটনার দিন আমার স্ত্রী বাড়িতে ছিল না, সেই সুযোগে রাত তিনটার সময় আমার মায়ের পেটের ভাই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আমার ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আমার হাত পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে রাখে, অতঃপর আলমারি ভাঙ্গিয়া নগর ২ লক্ষ টাকা ও আমার স্ত্রীর দুই ভরি স্বর্ণ নিয়ে যায়, এছাড়া ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভেঙ্গে চুরমার করে, এছাড়া আমাকেও আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়, আমি মধুখালী থানায় মামলা করিতে গেলে আমার মামলা থানা পুলিশ নিতে অস্বীকার করলে আমি ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। বর্তমান মামলাটি তদন্তাধীন আছে। হারুন ফকিরের স্ত্রী ফরিদা বেগম সাংবাদিকদের কাছে বলেন আমার পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে মুছা ফকির, যেকোনো সময় আমারও আমার পরিবারকে মুসা ফকির হত্যা করতে পারে, আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনার সময় মুসা ফকির এর সাথে তার সহযোগী বাঁকা মোল্লা, রেহেনা বেগম শাহিনা বেগম,ও শাহানা বেগম ছিলেন বলে ভুক্তভোগী হারুন উল্লেখ করেন, এ ব্যাপারে জানতে মুসা ফকিরের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি, সরজমিনে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় গাজনা ইউনিয়নের সাহেব আলী ফকিরের ছেলে মুসা ফকির দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক, ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে রেল কোম্পানিতে চাকরি করছে, বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অবগত আছে, এ ছাড়া মুছা ফকির এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে রাখায় তার ভয়ে কেউ মুখ খোলে না,তার বিরুদ্ধে এলাকায় নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।