ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সাদুল্লাপুরে চুরি অপকর্মে জড়িত শিক্ষকের অপসারণ দাবি শিক্ষার্থীদের

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২০৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বৈষ্ণবদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাত আলীর বিরুদ্ধে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ ওঠেছে। এই শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বিদ্যালয়টির সামনে রাস্তায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষক জামাত আলীর অপসারণ চেয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা বক্তব্য দিয়েছেন।
এই মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন গোলাপ, সহকারী শিক্ষক খাইরুল ইসলাম, আব্দুল হালিম, ফারুক মিয়া, নজরুল ইসলাম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান নিরব, শাহাফুল ইসলাম স্বপন, মাইদুল ইসলামসহ অনেকে।
সহকারী শিক্ষক খাইরুল আলম বলেন, শিক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে যে শিক্ষক চুরি করেন এমন শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়ে না থাকাই ভালো।
প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন গোলাপ বলেন, এরকম অপকর্ম যদি শিক্ষকরা করে তাহলে তার কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কি শিখবে? শিক্ষক হয়ে এমন অন্যায় কাজ বারবার করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেমন বদনাম হয়, তেমনি শিক্ষক জাতিরও অপমান করে।
এর আগে প্রাক্তন এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিলে বলেন, এই মুহূর্তে দরকার জামাত আলীর বহিষ্কার। এই শ্লোগান নিয়ে বৈষ্ণবদাস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মিছিল শুরু করে বৈষ্ণবদাস বাজার রাস্তা প্রদক্ষিণ করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সাদুল্লাপুরে চুরি অপকর্মে জড়িত শিক্ষকের অপসারণ দাবি শিক্ষার্থীদের

আপডেট সময় :

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বৈষ্ণবদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাত আলীর বিরুদ্ধে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ ওঠেছে। এই শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বিদ্যালয়টির সামনে রাস্তায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষক জামাত আলীর অপসারণ চেয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা বক্তব্য দিয়েছেন।
এই মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন গোলাপ, সহকারী শিক্ষক খাইরুল ইসলাম, আব্দুল হালিম, ফারুক মিয়া, নজরুল ইসলাম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান নিরব, শাহাফুল ইসলাম স্বপন, মাইদুল ইসলামসহ অনেকে।
সহকারী শিক্ষক খাইরুল আলম বলেন, শিক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে যে শিক্ষক চুরি করেন এমন শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়ে না থাকাই ভালো।
প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন গোলাপ বলেন, এরকম অপকর্ম যদি শিক্ষকরা করে তাহলে তার কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কি শিখবে? শিক্ষক হয়ে এমন অন্যায় কাজ বারবার করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেমন বদনাম হয়, তেমনি শিক্ষক জাতিরও অপমান করে।
এর আগে প্রাক্তন এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিলে বলেন, এই মুহূর্তে দরকার জামাত আলীর বহিষ্কার। এই শ্লোগান নিয়ে বৈষ্ণবদাস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মিছিল শুরু করে বৈষ্ণবদাস বাজার রাস্তা প্রদক্ষিণ করেন তারা।