ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

চুংনানহাইয়ে সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সীমিত পরিসরে বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত শুক্রবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুংনানহাইয়ে এক সীমিত পরিসরের বৈঠক করেন।

বৈঠকে সি চিন পিং উল্লেখ করেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এবারের সফর একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সফর। আমরা যৌথভাবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গঠনমূলক, কৌশলগত ও স্থিতিশীল সম্পর্কের নতুন অবস্থান নির্ধারণ করেছি। আমরা আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং একে অপরের উদ্বেগের যথাযথ সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছি। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করতেও আমরা সম্মত হয়েছি। এই সফর পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে, পারস্পরিক আস্থা গভীর করতে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এটি পুনরায় প্রমাণ করেছে যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতার সঠিক পথ খুঁজে বের করা দুই দেশের জনগণ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা। দুই দেশ সহযোগিতা জোরদার করার মাধ্যমে নিজ নিজ উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। উভয় পক্ষের উচিত আমাদের গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য কার্যকর করা, কষ্টার্জিত ইতিবাচক প্রবণতাকে গুরুত্ব দেওয়া, সঠিক পথে অবিচল থাকা, হস্তক্ষেপ দূর করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।”

ট্রাম্প তাঁকে চুংনানহাইয়ে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আমার এবারের চীন সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং এটি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যা সত্যিই অবিস্মরণীয়। উভয় পক্ষ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে, বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং অনেক সমস্যার সমাধান করেছে, যা দুই দেশ ও বিশ্বের জন্য উপকারী হবে। প্রেসিডেন্ট সি আমার পুরানো বন্ধু। আমি তাঁকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। আমাদের মধ্যে এক সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে। মার্কিন-চীন সম্পর্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং নিঃসন্দেহে এটি আরও ভালো হবে। আমি প্রেসিডেন্ট সি’র সঙ্গে অব্যাহতভাবে গভীর যোগাযোগ বজায় রাখব এবং ওয়াশিংটনে তাঁকে স্বাগত জানাব।”

এ সময় দু’নেতা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চুংনানহাইয়ে সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সীমিত পরিসরে বৈঠক

আপডেট সময় :

গত শুক্রবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুংনানহাইয়ে এক সীমিত পরিসরের বৈঠক করেন।

বৈঠকে সি চিন পিং উল্লেখ করেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এবারের সফর একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সফর। আমরা যৌথভাবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গঠনমূলক, কৌশলগত ও স্থিতিশীল সম্পর্কের নতুন অবস্থান নির্ধারণ করেছি। আমরা আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং একে অপরের উদ্বেগের যথাযথ সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছি। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করতেও আমরা সম্মত হয়েছি। এই সফর পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে, পারস্পরিক আস্থা গভীর করতে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এটি পুনরায় প্রমাণ করেছে যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতার সঠিক পথ খুঁজে বের করা দুই দেশের জনগণ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা। দুই দেশ সহযোগিতা জোরদার করার মাধ্যমে নিজ নিজ উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। উভয় পক্ষের উচিত আমাদের গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য কার্যকর করা, কষ্টার্জিত ইতিবাচক প্রবণতাকে গুরুত্ব দেওয়া, সঠিক পথে অবিচল থাকা, হস্তক্ষেপ দূর করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।”

ট্রাম্প তাঁকে চুংনানহাইয়ে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আমার এবারের চীন সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং এটি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যা সত্যিই অবিস্মরণীয়। উভয় পক্ষ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে, বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং অনেক সমস্যার সমাধান করেছে, যা দুই দেশ ও বিশ্বের জন্য উপকারী হবে। প্রেসিডেন্ট সি আমার পুরানো বন্ধু। আমি তাঁকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। আমাদের মধ্যে এক সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে। মার্কিন-চীন সম্পর্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং নিঃসন্দেহে এটি আরও ভালো হবে। আমি প্রেসিডেন্ট সি’র সঙ্গে অব্যাহতভাবে গভীর যোগাযোগ বজায় রাখব এবং ওয়াশিংটনে তাঁকে স্বাগত জানাব।”

এ সময় দু’নেতা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন।