ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

শিশু সানজিদা হত‍্যার অভিযুক্ত বিল্লাল গ্রেপ্তার

নালিতাবড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা এলাকায় টয়লেট থেকে সাত বছরের শিশুকন্যা সানজিদা খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার (১৮ মে) ভোরে নিজ বাড়িতে ফেরার পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
নিহত সানজিদা খাতুন উপজেলার পানিহাটা এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে। মা জামেনা বেগম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানী চাঁনভানুর বাড়িতে বসবাস করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৭ মে বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে সানজিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের জানানো হয়।
পরদিন ৮ মে বিকেলে এলাকাবাসীর মাধ্যমে স্বজনরা জানতে পারেন,নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটিকে সর্বশেষ কালাকুমা এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল।পরে শিশুটির খালা সখিনা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে সানজিদার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিল্লালের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করে মরদেহ বাড়ির টয়লেটে রাখা হয়েছে বলে জানান।
পরে স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়ির টিনশেড টয়লেট থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘটনার পর থেকেই বিল্লাল পলাতক ছিলেন। অবশেষে সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে ফিরে এলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এবিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আশরাফুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন“জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিল্লাল হোসেনকে থানায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিশু সানজিদা হত‍্যার অভিযুক্ত বিল্লাল গ্রেপ্তার

আপডেট সময় :

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা এলাকায় টয়লেট থেকে সাত বছরের শিশুকন্যা সানজিদা খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার (১৮ মে) ভোরে নিজ বাড়িতে ফেরার পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
নিহত সানজিদা খাতুন উপজেলার পানিহাটা এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে। মা জামেনা বেগম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানী চাঁনভানুর বাড়িতে বসবাস করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৭ মে বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে সানজিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের জানানো হয়।
পরদিন ৮ মে বিকেলে এলাকাবাসীর মাধ্যমে স্বজনরা জানতে পারেন,নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটিকে সর্বশেষ কালাকুমা এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল।পরে শিশুটির খালা সখিনা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে সানজিদার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিল্লালের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করে মরদেহ বাড়ির টয়লেটে রাখা হয়েছে বলে জানান।
পরে স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়ির টিনশেড টয়লেট থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘটনার পর থেকেই বিল্লাল পলাতক ছিলেন। অবশেষে সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে ফিরে এলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এবিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আশরাফুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন“জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিল্লাল হোসেনকে থানায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।