ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

কোস্টগার্ডের অভিযানে জেট ফুয়েলসহ জ্বালানি তেল জব্দ

মনির হোসেন
  • আপডেট সময় : ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় পৃথক ২ টি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ জেট ফুয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল ও ভোজ্য তেল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।
গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী উপকূলীয় এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে যাতে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অবৈধ মজুদ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন ভিআইপি রোড সংলগ্ন এলাকায় গত ১৮ মে সোমবার রাত ১১ টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় অবৈধভাবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদকৃত তেলের গোপন আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২৩ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার লিটার জেট ফুয়েল, ৬ হাজার লিটার ডিজেল, ১,৫০০ লিটার অকটেন এবং উক্ত জ্বালানি তেল বহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা হয়।
অপরদিকে, চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন আকমলআলী সুইচ গেইট সংলগ্ন এলাকায় আজ ১৯ মে মঙ্গলবার মধ্যরাত ১ টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরও একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত ঘাট সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে জাহাজ থেকে অবৈধভাবে খালাসকৃত প্রায় ৯ লক্ষ টাকা মূল্যের ৫ হাজার লিটার ভোজ্য তেল (সয়াবিন) জব্দ করা হয়।
দুটি অভিযানেই আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জ্বালানি ও ভোজ্য তেল চোরাকারবারির সাথে সংশ্লিষ্ট মূলহোতাদের আটকে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
জব্দকৃত জ্বালানি ও ভোজ্য তেল এবং ট্রাকের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
চোরাকারবারি রোধে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কোস্টগার্ডের অভিযানে জেট ফুয়েলসহ জ্বালানি তেল জব্দ

আপডেট সময় :

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় পৃথক ২ টি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ জেট ফুয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল ও ভোজ্য তেল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।
গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী উপকূলীয় এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে যাতে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অবৈধ মজুদ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন ভিআইপি রোড সংলগ্ন এলাকায় গত ১৮ মে সোমবার রাত ১১ টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় অবৈধভাবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদকৃত তেলের গোপন আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২৩ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার লিটার জেট ফুয়েল, ৬ হাজার লিটার ডিজেল, ১,৫০০ লিটার অকটেন এবং উক্ত জ্বালানি তেল বহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা হয়।
অপরদিকে, চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন আকমলআলী সুইচ গেইট সংলগ্ন এলাকায় আজ ১৯ মে মঙ্গলবার মধ্যরাত ১ টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরও একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত ঘাট সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে জাহাজ থেকে অবৈধভাবে খালাসকৃত প্রায় ৯ লক্ষ টাকা মূল্যের ৫ হাজার লিটার ভোজ্য তেল (সয়াবিন) জব্দ করা হয়।
দুটি অভিযানেই আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জ্বালানি ও ভোজ্য তেল চোরাকারবারির সাথে সংশ্লিষ্ট মূলহোতাদের আটকে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
জব্দকৃত জ্বালানি ও ভোজ্য তেল এবং ট্রাকের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
চোরাকারবারি রোধে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।