ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

নিহত রামিসার গ্রামের বাড়িতে দুই এমপি ও ডিসি

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত নিহত শিশু রামিসার কবর জিয়ারত করেছেন দুই সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। গতকাল শনিবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শিয়ালদি মোল্লাবাড়ি কবরস্থানে গিয়ে তারা কবর জিয়ারত করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
জিয়ারতে অংশ নেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিন মুন্নি এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক একে এম এরাদাদ মানু।
এসময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি এ ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক অপব্যবহার না করার আহ্বান জানান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু বলেন, সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক থাকলেও কেউ যেন এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিন মুন্নি বলেন, দেশে শিশু নির্যাতনকারীদের কোনো স্থান নেই। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
জেলা পরিষদের প্রশাসক একে এম এরাদাদ মানু বলেন, শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
জিয়ারত শেষে তারা নিহত শিশুর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
এ সময় তারা রামিসার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবাব সদস্য মোশারফ হোসেন কুস্তি, মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মুন্না,মুন্সীগঞ্জের জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জামাল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গেলো ১৯ শে রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার করে। এনিহত রামিসার বাড়ী সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্য শিয়ালদি গ্রামে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নিহত রামিসার গ্রামের বাড়িতে দুই এমপি ও ডিসি

আপডেট সময় :

ধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত নিহত শিশু রামিসার কবর জিয়ারত করেছেন দুই সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। গতকাল শনিবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শিয়ালদি মোল্লাবাড়ি কবরস্থানে গিয়ে তারা কবর জিয়ারত করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
জিয়ারতে অংশ নেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিন মুন্নি এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক একে এম এরাদাদ মানু।
এসময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি এ ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক অপব্যবহার না করার আহ্বান জানান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু বলেন, সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক থাকলেও কেউ যেন এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিন মুন্নি বলেন, দেশে শিশু নির্যাতনকারীদের কোনো স্থান নেই। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
জেলা পরিষদের প্রশাসক একে এম এরাদাদ মানু বলেন, শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
জিয়ারত শেষে তারা নিহত শিশুর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
এ সময় তারা রামিসার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবাব সদস্য মোশারফ হোসেন কুস্তি, মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মুন্না,মুন্সীগঞ্জের জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জামাল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গেলো ১৯ শে রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার করে। এনিহত রামিসার বাড়ী সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্য শিয়ালদি গ্রামে ।