ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান Logo আওয়ামীলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে যুবদলের অবস্থান Logo অনিয়ম, দুর্নীতি এবং শিক্ষার মান নিয়ে অসন্তোষে অভিভাবকরা Logo দেওয়ানগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদন্ড Logo শেরপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo সুবর্ণচরে ২৬৭ কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ Logo বাইশারীর হাতির ডেরা এলাকা থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার

শেরপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর পুরাতন কলোনী গ্রামে সেলিম (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল প্রায় ৯টার দিকে এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। নিহত সেলিম তার স্ত্রী মোছা. রোকসানা ওরফে আফরোজা (২৫), তার শাশুড়ি রহিমা (৬০) দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানকে নিয়ে ওই গ্রামে বসবাস করতেন।নিহত সেলিম রংপুর জেলার কুতবআলী থানার ওমরকুটি গ্রামের জয়নালের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সেলিমের ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ দেখে তার সঙ্গে কাজ করা এক রাজমিস্ত্রী সন্দেহ করেন। পরে জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে সেলিমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরের ভেতরে সেলিমের মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছিল। তবে তার পা ভাঁজ করা ছিল বলে স্থানীয়দের অনেকের ধারণা, এটি স্বাভাবিক আত্মহত্যার ঘটনা নাও হতে পারে। তাদের দাবি, সেলিমকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনউদ্দিন বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শেরপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য

আপডেট সময় :

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর পুরাতন কলোনী গ্রামে সেলিম (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল প্রায় ৯টার দিকে এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। নিহত সেলিম তার স্ত্রী মোছা. রোকসানা ওরফে আফরোজা (২৫), তার শাশুড়ি রহিমা (৬০) দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানকে নিয়ে ওই গ্রামে বসবাস করতেন।নিহত সেলিম রংপুর জেলার কুতবআলী থানার ওমরকুটি গ্রামের জয়নালের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সেলিমের ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ দেখে তার সঙ্গে কাজ করা এক রাজমিস্ত্রী সন্দেহ করেন। পরে জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে সেলিমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরের ভেতরে সেলিমের মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছিল। তবে তার পা ভাঁজ করা ছিল বলে স্থানীয়দের অনেকের ধারণা, এটি স্বাভাবিক আত্মহত্যার ঘটনা নাও হতে পারে। তাদের দাবি, সেলিমকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনউদ্দিন বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।