ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দৈনিক গণমুক্তির সোনারগাঁ প্রতিনিধি আবুল বাশারের মেয়ের ইন্তেকাল: গণমুক্তি ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেসের শোক Logo গণমাধ্যমকে নিখুঁত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন – গণমাধ্যমকে কোটারিমুক্ত ও জাতীয় চরিত্র দিতে চাই : মাহমুদুর রহমান Logo ‘যে বাজেটে মদ সিগারেটের দাম বৃদ্ধি করা হয় সে বাজেট বিরোধী দলের পছন্দ হয় না’ Logo বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে সভা Logo চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ৬ লেনে উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo ভূরুঙ্গামারীতে এসআই জাহেদুল ইসলামের প্রত্যাহার দাবি Logo গোলাপগঞ্জে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন Logo টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo বান্দরবানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ

খায়রুল আলম সুমন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ৬৪৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়, ওয়ারিশসূত্রে অর্জিত জমির মালিকদের নামজারি ২ ভাবে হতে পারে। কোন মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম একটি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ওয়ারিশগণ যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারবেন। যৌথভাবে নামজারি (জমাভাগ ব্যতীত) করার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনারের নিকট থেকে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। আবেদন প্রাপ্তির পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারি মামলা দায়ের করে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির মধ্যে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখ পূর্বক নামজারি খতিয়ান করে দিবেন। এক্ষেত্রে বণ্টননামা দলিলের কোন প্রয়োজন নেই।

উক্ত পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ওয়ারিশগণ যদি জমাভাগের মাধ্যমে আলাদা আলাদাভাবে খতিয়ান করে আলাদা-আলাদাভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চান তাহলে ওয়ারিশগণ প্রাপ্যতা অনুযায়ী কে কোন দাগে বা একটি দাগের কোন অংশে জমি ভোগ-দখল করতে চান সকল ওয়ারিশ মিলে তা নির্ধারণপূর্বক একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এভাবে বণ্টননামা দলিল ব্যবহার করে ওয়ারিশগণ তাদের আলাদা আলাদাভাবে নামজারির আবেদন করলে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে আলাদা আলাদা নামজারি খতিয়ান করা সম্ভব।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি/স্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদমূলে উত্তরাধিকারগণ যৌথভাবে নামজারি/রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করলে অনেক ক্ষেত্রে তা নামঞ্জুর করা হচ্ছে-যা যথাযথ নয় বলে নাগরিকগণ হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে। বণ্টননামা দলিল ব্যতীত শুধু ওয়ারিশ সনদমূলে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির বিপরীতে সকল ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক সকল ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান করা আইনসিদ্ধ। তবে জমাভাগের মাধ্যমে সকল ওয়ারিশের নামে আলাদা আলাদা খতিয়ান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩খ উপধারা অনুযায়ী অবশ্যই বন্টননামা দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করতে হবে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ আগের খতিয়ান (মৃত ব্যক্তির নামে) ভেঙে আলাদা আলাদা খতিয়ান করার মাধ্যমে জমাভাগ করার ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র বণ্টননামা দলিল আবশ্যক। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের যৌথভাবে দাখিলকৃত নামজারির আবেদন বণ্টননামা দলিল না থাকার অজুহাতে নামঞ্জুর করা হতে বিরত থাকার জন্য বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ

আপডেট সময় :

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়, ওয়ারিশসূত্রে অর্জিত জমির মালিকদের নামজারি ২ ভাবে হতে পারে। কোন মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম একটি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ওয়ারিশগণ যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারবেন। যৌথভাবে নামজারি (জমাভাগ ব্যতীত) করার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনারের নিকট থেকে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। আবেদন প্রাপ্তির পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারি মামলা দায়ের করে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির মধ্যে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখ পূর্বক নামজারি খতিয়ান করে দিবেন। এক্ষেত্রে বণ্টননামা দলিলের কোন প্রয়োজন নেই।

উক্ত পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ওয়ারিশগণ যদি জমাভাগের মাধ্যমে আলাদা আলাদাভাবে খতিয়ান করে আলাদা-আলাদাভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চান তাহলে ওয়ারিশগণ প্রাপ্যতা অনুযায়ী কে কোন দাগে বা একটি দাগের কোন অংশে জমি ভোগ-দখল করতে চান সকল ওয়ারিশ মিলে তা নির্ধারণপূর্বক একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এভাবে বণ্টননামা দলিল ব্যবহার করে ওয়ারিশগণ তাদের আলাদা আলাদাভাবে নামজারির আবেদন করলে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে আলাদা আলাদা নামজারি খতিয়ান করা সম্ভব।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি/স্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদমূলে উত্তরাধিকারগণ যৌথভাবে নামজারি/রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করলে অনেক ক্ষেত্রে তা নামঞ্জুর করা হচ্ছে-যা যথাযথ নয় বলে নাগরিকগণ হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে। বণ্টননামা দলিল ব্যতীত শুধু ওয়ারিশ সনদমূলে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির বিপরীতে সকল ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক সকল ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান করা আইনসিদ্ধ। তবে জমাভাগের মাধ্যমে সকল ওয়ারিশের নামে আলাদা আলাদা খতিয়ান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩খ উপধারা অনুযায়ী অবশ্যই বন্টননামা দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করতে হবে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ আগের খতিয়ান (মৃত ব্যক্তির নামে) ভেঙে আলাদা আলাদা খতিয়ান করার মাধ্যমে জমাভাগ করার ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র বণ্টননামা দলিল আবশ্যক। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের যৌথভাবে দাখিলকৃত নামজারির আবেদন বণ্টননামা দলিল না থাকার অজুহাতে নামঞ্জুর করা হতে বিরত থাকার জন্য বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে।