ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

গোমস্তাপুরে কয়েকদিন থেকে টানা বৃষ্টি তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত কৃষকের মাথায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ 

মোঃ সামিরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে গত কয়েকদিন থেকে টানা বৃষ্টির ফলে তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত এতে কৃষকদের মাথায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ। স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোনার ফসলের আশায় চার মাসের বেশি সময় ধরে রাতদিন কষ্ট করেছেন যেখানে যা খরচ করার প্রয়োজন ছিল, কমতি রাখেননি। কিন্তু সেই কষ্টের ফল হতে যাচ্ছে প্রায় শূন্য। কারণ, শ্রমিকসংকটের পাশাপাশি এদিকে কয়েক দিন থেকে টানা বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে পাকা ধান। দুই-তিন দিনের মধ্যে ধান কেটে ঘরে তুলতে না পারলে সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে।
অনেক কৃষক জানান ধারদেনা করে আবাদ করছি। পরিকল্পনা ছিল কিছু ধান বেচে ঋণের টাকা শোধ করবেন। আর বাকি ধান দিয়ে সংসারের কয়েক মাসের খরচ জোগাবেন। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার আগমুহূর্তে বৈরী আবহাওয়া আর শ্রমিকের সংকট তাঁদের সব পরিকল্পনা এলোমেলো করে দিয়েছে।
তারা আরও বলেন, পানিতে জমির ধান তলিয়ে গেছে। ধান কাটতে না পারলে পানির নিচে গাঁজ ধরবে। ধান কাটা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। মনিরুল ইসলাম নামের এক কৃষক বলেন, কয়েক দিন বৃষ্টিতে পাকা ধান পানির নিচে ডুবে গেছে।
 খেতে পানি জমে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ডুবে যাওয়া ধান কাটতে শ্রমিকেরা বেশি মজুরি চাইছেন। তিনি আরও জানান ধান কাটতে বাহানা শুরু করছে শ্রমিকরা।  দুই-তিন দিন এভাবে বৃষ্টি হলে ও আজকের বৃষ্টিতে সব ধান পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিন-চার দিনের টানা বৃষ্টিতে জেলার নিচু এলাকার পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক জমির ধানগাছ পানিতে শুয়ে পড়ছে। এ ছাড়া যে জমিগুলোতে এখনো ধানগাছ গলা পানিতে উঁকি দিচ্ছে, সেগুলোর শিষও আস্তে আস্তে ভেঙে পড়ছে।
অন্যদিকে ধান কাটা শ্রমিকেরা বলছেন, বৈরী আবহাওয়া, পানিতে ডুবে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং ঝড়ে খেতের ধান এলোমেলোভাবে নুয়ে পড়ায় এবার ধান কাটতে বেশি পরিশ্রম হচ্ছে। এ ছাড়া অধিকাংশ খেতের ধানই ভেজা অবস্থায় তোলা হচ্ছে। আবার পানিতে ডুবে অনেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এ জন্য এবার গতবারের তুলনায় তারা পারিশ্রমিক বেশি নিচ্ছেন। এছাড়াও সোমবারের বৃষ্টিতে গোমস্তাপুর উপজেলার অনেক জায়গায় জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে পথচারীদের চলাচলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোমস্তাপুরে কয়েকদিন থেকে টানা বৃষ্টি তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত কৃষকের মাথায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ 

আপডেট সময় :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে গত কয়েকদিন থেকে টানা বৃষ্টির ফলে তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত এতে কৃষকদের মাথায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ। স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোনার ফসলের আশায় চার মাসের বেশি সময় ধরে রাতদিন কষ্ট করেছেন যেখানে যা খরচ করার প্রয়োজন ছিল, কমতি রাখেননি। কিন্তু সেই কষ্টের ফল হতে যাচ্ছে প্রায় শূন্য। কারণ, শ্রমিকসংকটের পাশাপাশি এদিকে কয়েক দিন থেকে টানা বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে পাকা ধান। দুই-তিন দিনের মধ্যে ধান কেটে ঘরে তুলতে না পারলে সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে।
অনেক কৃষক জানান ধারদেনা করে আবাদ করছি। পরিকল্পনা ছিল কিছু ধান বেচে ঋণের টাকা শোধ করবেন। আর বাকি ধান দিয়ে সংসারের কয়েক মাসের খরচ জোগাবেন। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার আগমুহূর্তে বৈরী আবহাওয়া আর শ্রমিকের সংকট তাঁদের সব পরিকল্পনা এলোমেলো করে দিয়েছে।
তারা আরও বলেন, পানিতে জমির ধান তলিয়ে গেছে। ধান কাটতে না পারলে পানির নিচে গাঁজ ধরবে। ধান কাটা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। মনিরুল ইসলাম নামের এক কৃষক বলেন, কয়েক দিন বৃষ্টিতে পাকা ধান পানির নিচে ডুবে গেছে।
 খেতে পানি জমে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ডুবে যাওয়া ধান কাটতে শ্রমিকেরা বেশি মজুরি চাইছেন। তিনি আরও জানান ধান কাটতে বাহানা শুরু করছে শ্রমিকরা।  দুই-তিন দিন এভাবে বৃষ্টি হলে ও আজকের বৃষ্টিতে সব ধান পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিন-চার দিনের টানা বৃষ্টিতে জেলার নিচু এলাকার পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক জমির ধানগাছ পানিতে শুয়ে পড়ছে। এ ছাড়া যে জমিগুলোতে এখনো ধানগাছ গলা পানিতে উঁকি দিচ্ছে, সেগুলোর শিষও আস্তে আস্তে ভেঙে পড়ছে।
অন্যদিকে ধান কাটা শ্রমিকেরা বলছেন, বৈরী আবহাওয়া, পানিতে ডুবে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং ঝড়ে খেতের ধান এলোমেলোভাবে নুয়ে পড়ায় এবার ধান কাটতে বেশি পরিশ্রম হচ্ছে। এ ছাড়া অধিকাংশ খেতের ধানই ভেজা অবস্থায় তোলা হচ্ছে। আবার পানিতে ডুবে অনেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এ জন্য এবার গতবারের তুলনায় তারা পারিশ্রমিক বেশি নিচ্ছেন। এছাড়াও সোমবারের বৃষ্টিতে গোমস্তাপুর উপজেলার অনেক জায়গায় জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে পথচারীদের চলাচলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।