ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম

গৌরীপুরে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পিডিবির ঘন ঘন ও দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। লোডশেডিংয়ে মানুষের বিদ্যুৎ নির্ভর সকল কর্মকাণ্ডে স্তবিরতা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে।
পিডিবি কর্তৃপক্ষের দাবি চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় এ উপজেলায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারনে অতি সম্প্রতি পিডিবির অফিসে বিক্ষুব্দ জনতা হামলার ঘটনা ঘটায়। এছাড়া লোডশেডিংয়ের ফলে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত পিডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক মূলক আচরণ করে থাকেন। বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় বর্তমানে আতঙ্কে দিন কাটে তাদের।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, এখানে প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টা স্থায়ী বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়। এছাড়া সপ্তাহে একদিন মেরামতের অজুহাতে সারাদিন বিদ্যুতের দেখা মিলেনা।
গৌরীপুর আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী লিটন মজুমদার জানান, গৌরীপুরে পিডিবির বর্তমান বিদ্যুৎ চাহিদা ১২ মেগাওয়াট। এরমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। চাহিদার তুলনায় অর্ধেকের বেশি ঘাটতি থাকায় ৬টি ফিডারের মাঝে ২টি ফিডারে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারেন। বাকি ৪টি ফিডারে ২ থেকে ৩ ঘন্টা লোডশেডিং দিতে হয়।
লোডশেডিংয়ের কারন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গাজীপুর এলাকায় অবস্থিত১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি পাওয়ার প্লান্ট জ্বালানি সংকটে মাঝে মধ্যে বন্ধ থাকলে লোডশেডিং দিতে হয়। যখন ওই দুটি পাওয়ার প্লান্ট চালু থাকে তখন চাহিদা অনুযায়ী পরিপূর্ণ বিদ্যুৎ পাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম

গৌরীপুরে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ

আপডেট সময় :

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পিডিবির ঘন ঘন ও দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। লোডশেডিংয়ে মানুষের বিদ্যুৎ নির্ভর সকল কর্মকাণ্ডে স্তবিরতা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে।
পিডিবি কর্তৃপক্ষের দাবি চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় এ উপজেলায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারনে অতি সম্প্রতি পিডিবির অফিসে বিক্ষুব্দ জনতা হামলার ঘটনা ঘটায়। এছাড়া লোডশেডিংয়ের ফলে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত পিডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক মূলক আচরণ করে থাকেন। বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় বর্তমানে আতঙ্কে দিন কাটে তাদের।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, এখানে প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টা স্থায়ী বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়। এছাড়া সপ্তাহে একদিন মেরামতের অজুহাতে সারাদিন বিদ্যুতের দেখা মিলেনা।
গৌরীপুর আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী লিটন মজুমদার জানান, গৌরীপুরে পিডিবির বর্তমান বিদ্যুৎ চাহিদা ১২ মেগাওয়াট। এরমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। চাহিদার তুলনায় অর্ধেকের বেশি ঘাটতি থাকায় ৬টি ফিডারের মাঝে ২টি ফিডারে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারেন। বাকি ৪টি ফিডারে ২ থেকে ৩ ঘন্টা লোডশেডিং দিতে হয়।
লোডশেডিংয়ের কারন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গাজীপুর এলাকায় অবস্থিত১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি পাওয়ার প্লান্ট জ্বালানি সংকটে মাঝে মধ্যে বন্ধ থাকলে লোডশেডিং দিতে হয়। যখন ওই দুটি পাওয়ার প্লান্ট চালু থাকে তখন চাহিদা অনুযায়ী পরিপূর্ণ বিদ্যুৎ পাই।