জ্ঞানতাপস শহীদুল্লাহ স্মৃতি অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত হলেন সোহাগ সরকার
- আপডেট সময় : ৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অনন্য অবদানের জন্য স্মরণীয় জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ-এর ১৪১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আবৃত্তি ও উপস্থাপনায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্মৃতি অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন দেশের তরুণ আবৃত্তিকার ও উপস্থাপক সোহাগ সরকার।
সম্প্রতি রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে “জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর কর্মময় জীবন” শীর্ষক আলোচনা সভার পাশাপাশি গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মীর হাসমত আলী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. হামিদা খানম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. মোর্শেদুল আলম, ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কলেজের অধ্যক্ষ ড. নজরুল ইসলাম খান এবং কর্ডোভা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব সাবির উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ড. এ. টি. এম. মমতাজুল করিম।
দীর্ঘদিন ধরে আবৃত্তি ও উপস্থাপনার মাধ্যমে সংস্কৃতি অঙ্গনে নিষ্ঠা, সৃজনশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে আসছেন সোহাগ সরকার। এর আগেও তিনি উপস্থাপনায় জাতীয় পর্যায়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নামে প্রবর্তিত এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা অর্জন তাঁর সাংস্কৃতিক পথচলায় নতুন এক মাইলফলক হয়ে যুক্ত হলো।
সম্মাননা গ্রহণের পর সোহাগ সরকার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এই সম্মাননা শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি আমার পরিবার, শিক্ষক, সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সকল মানুষের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণার প্রতিফলন। জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নামে প্রাপ্ত এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সঙ্গে সংস্কৃতিচর্চায় কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।”
সংস্কৃতিচর্চা ও ভাষার প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিদের এমন সম্মাননা প্রদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে বলে অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই সম্মাননা সোহাগ সরকারের সাংস্কৃতিক জীবনের গৌরবময় অর্জনের তালিকায় নতুন এক উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো।
























