টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক
- আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের উখিয়ার শীলখালী বিজিবি চেকপোস্টে যাত্রীবাহী মিনিবাসে অভিযান চালিয়ে ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে বিজিবির প্রশিক্ষিত নারকোটিক্স ডগ ‘জ্যাক’-এর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।আটক ব্যক্তি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী গ্রামের মৃত আকতার হোসেনের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন খোকন (২৩)।গতকাল বুধবার (১৭ জুন) রাতে উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে টেকনাফ থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী মিনিবাস শীলখালী চেকপোস্টে পৌঁছালে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেন। এ সময় বিজিবির প্রশিক্ষিত নারকোটিক্স ডগ ‘জ্যাক’ বাসের এক যাত্রীর আসনের নিচে সন্দেহজনক একটি স্থানে সংকেত দেয়।পরবর্তীতে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে কালো কসটেপ দিয়ে মোড়ানো খাকি রঙের বায়ুরোধী প্যাকেট থেকে ৩০৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মালিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই বাসের যাত্রী মো. নাসির উদ্দিন খোকনকে আটক করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিনি টেকনাফ থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয় এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িত চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধেও অত্যন্ত দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।”উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সাফল্যের পরিচয় দিয়ে আসছে। বিশেষ করে শীলখালী চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশি ও প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের মাধ্যমে একের পর এক মাদক উদ্ধার এবং পাচারকারী আটক হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে নতুন গতি এসেছে।
















