ঢাকা পল্লবীতে নিহত শিশু রামিসা, সিরাজদিখানে দাফন
- আপডেট সময় : ৭৩ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু নিপীড়ন চেষ্টার পর নৃশংসভাবে হত্যায় শিকার রামিসা আক্তারের লাশ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের মধ্যম শিয়ালদি গ্রামে মোল্লাবাড়ি পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষ দাফন করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার ২০ মে এশা নামাজের পরে সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যম শিয়ালদি গ্রামের মোল্লা বাড়ি বায়তুল আমান জামে মসজিদের আঙ্গিনায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় আত্মীয়স্বজনসহ স্থানীয় মুসল্লী ও গণমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন ।
নিহত রামিসা আক্তার সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামের মোল্লাবাড়ি মরহুম হেলাল উদ্দিন মোল্লার পুত্র হান্নান মোল্লা মেয়ে।
নিহত রামিসার ঘনিষ্ঠজনরা জানান মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন রোডের একটি বাসার কক্ষে
দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়।
ঢাকার পল্লবী থানার পুলিশ সংবাদ পাওয়ার পর থানার একাধিক টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহ করে এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পল্লবী থানা পুলিশের একটি টিম নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাথরুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে সোহেল রানা। এতে শিশু রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর মধ্যেই তার মা রামিসার খোঁজে তাদের আসামির দরজায় দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন।
ওই সময় আসামি সোহেল রানা শিশু রামিসাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন এবং সঙ্গে দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে খাটের নিচে রাখে। একই সময় শিশুটির সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই রুমে ছিল। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় আসামি সোহেল।



















