ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে আসছেন মোঃ কাবিল উদ্দিন Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন

নিখোঁজের দুদিন পর শরীয়তপুর হাসপাদতালের বাথরুম থেকে রোগীর মরদেহ উদ্ধার

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৫৭৭ বার পড়া হয়েছে

স্বজনের আহাজারি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিখোঁজের দুই দিন পর শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের বাথরুমে থেকে বাবুল বেপারী (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাসপাতালে ভর্তির পর গত দুদিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বাবুল বেপারী। এ তথ্য জানান স্বজন ও পাশের শয্যায় থাকা অন্য রোগীরা।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ডের শৌচাগার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বাবুল বেপারী বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার পূর্ব তয়কা এলাকার আলী বেপারীর ছেলে।

রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন বাবুল বেপারী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বৃদ্ধা মা রোকেয়া বেগম। মধ্যরাতে মা রোকেয়া বেগম ঘুমিয়ে পড়লে ঘুম থেকে উঠে ছেলেকে আর শয্যায় দেখতে পাননি।

ছেলেকে হাসপাতালে খোঁজাখুঁজি করেন এবং একপর্যায়ে বিষয়টি নার্সদের জানান। তার কোনো খোঁজ না পেয়ে শুক্রবার সকালে গ্রামের বাড়ি চলে যান রোকেয়া বেগম। এরপর বিকেলে ফের হাসপাতালে এসে ছেলের খোঁজ করেন।

আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে অন্য রোগীরা শৌচাগারে গেলে বাবুল বেপারীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানায়। পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

বাবুল বেপারীর ভাতিজি হেনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার চাচ্চু গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি বাথরুমে গিয়ে যদি মারাও যান, তাহলে দুইদিন বাথরুম পরিষ্কার করা হয়নি। বাথরুম পরিষ্কার করলে ঠিকই আমার চাচ্চুকে আগে খুঁজে পাওয়া যেতো।

তারা চাচ্চুকে না খুঁজে উল্টো রোগীকে পাওয়া যায়নি বলে আমার দাদীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।

পাশের শয্যায় থাকা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নামের এক রোগী বলেন, রোগী অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে তিনি নিখোঁজ থাকলে আমরাও চারপাশে খোঁজাখুঁজি করি। বাথরুমটি ভেতর থেকে চাপা থাকায় কেউ খোঁজ করেনি। শনিবার সকালে বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) আহসান হাবীব বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নিখোঁজের দুদিন পর শরীয়তপুর হাসপাদতালের বাথরুম থেকে রোগীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় :

 

নিখোঁজের দুই দিন পর শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের বাথরুমে থেকে বাবুল বেপারী (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাসপাতালে ভর্তির পর গত দুদিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বাবুল বেপারী। এ তথ্য জানান স্বজন ও পাশের শয্যায় থাকা অন্য রোগীরা।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ডের শৌচাগার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বাবুল বেপারী বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার পূর্ব তয়কা এলাকার আলী বেপারীর ছেলে।

রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন বাবুল বেপারী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বৃদ্ধা মা রোকেয়া বেগম। মধ্যরাতে মা রোকেয়া বেগম ঘুমিয়ে পড়লে ঘুম থেকে উঠে ছেলেকে আর শয্যায় দেখতে পাননি।

ছেলেকে হাসপাতালে খোঁজাখুঁজি করেন এবং একপর্যায়ে বিষয়টি নার্সদের জানান। তার কোনো খোঁজ না পেয়ে শুক্রবার সকালে গ্রামের বাড়ি চলে যান রোকেয়া বেগম। এরপর বিকেলে ফের হাসপাতালে এসে ছেলের খোঁজ করেন।

আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে অন্য রোগীরা শৌচাগারে গেলে বাবুল বেপারীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানায়। পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

বাবুল বেপারীর ভাতিজি হেনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার চাচ্চু গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি বাথরুমে গিয়ে যদি মারাও যান, তাহলে দুইদিন বাথরুম পরিষ্কার করা হয়নি। বাথরুম পরিষ্কার করলে ঠিকই আমার চাচ্চুকে আগে খুঁজে পাওয়া যেতো।

তারা চাচ্চুকে না খুঁজে উল্টো রোগীকে পাওয়া যায়নি বলে আমার দাদীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।

পাশের শয্যায় থাকা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নামের এক রোগী বলেন, রোগী অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে তিনি নিখোঁজ থাকলে আমরাও চারপাশে খোঁজাখুঁজি করি। বাথরুমটি ভেতর থেকে চাপা থাকায় কেউ খোঁজ করেনি। শনিবার সকালে বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) আহসান হাবীব বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।