ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

কুশিয়ারা নদীর ওপর শিকপুর-বহরগ্রাম নতুন ব্রিজ

নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু, স্বস্তি ফিরছে জনমনে

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেটের গোলাপগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর ওপর শিকপুর-বহরগ্রাম সেতু নির্মাণ প্রকল্প ঘিরে আবারও আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নানা জটিলতায় আটকে থাকা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহন।
সেতু নির্মাণকাজের এমন অগ্রগতি দেখে খুশি এলাকাবাসী। তাদের মতে, সেতুটি নির্মিত হলে গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও বড়লেখা অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন তারা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন প্রকল্প বাস্তবায়ন আটকে থাকায় নির্মাণ ব্যয়ও বেড়েছে। শুরুতে সেতু ও অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২৬ কোটি টাকা। বর্তমানে সেই ব্যয় বেড়ে প্রায় ১৪০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান জানান, জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হলেই চলতি মাসের মধ্যে মূল নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।
উল্লেখ্য, সিলেটের সঙ্গে গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও বড়লেখার যোগাযোগ সহজ করতে ২০০৫ সালে কুশিয়ারা নদীর শিকপুর-বহরগ্রাম এলাকায় ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। কম দূরত্বের কারণে প্রতিদিন শত শত যানবাহন ও হাজারো মানুষ এ পথ ব্যবহার করতেন। তবে ২০১৫ সালে চন্দরপুর-সুনামপুর সেতু চালু হওয়ার পর ফেরির গুরুত্ব কমে যায়। ২০১৬ সালে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ফেরি ও পল্টন ডুবে গেলে যোগাযোগ ব্যবস্থাটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুশিয়ারা নদীর ওপর শিকপুর-বহরগ্রাম নতুন ব্রিজ

নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু, স্বস্তি ফিরছে জনমনে

আপডেট সময় :

সিলেটের গোলাপগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর ওপর শিকপুর-বহরগ্রাম সেতু নির্মাণ প্রকল্প ঘিরে আবারও আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নানা জটিলতায় আটকে থাকা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহন।
সেতু নির্মাণকাজের এমন অগ্রগতি দেখে খুশি এলাকাবাসী। তাদের মতে, সেতুটি নির্মিত হলে গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও বড়লেখা অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন তারা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন প্রকল্প বাস্তবায়ন আটকে থাকায় নির্মাণ ব্যয়ও বেড়েছে। শুরুতে সেতু ও অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২৬ কোটি টাকা। বর্তমানে সেই ব্যয় বেড়ে প্রায় ১৪০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান জানান, জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হলেই চলতি মাসের মধ্যে মূল নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।
উল্লেখ্য, সিলেটের সঙ্গে গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও বড়লেখার যোগাযোগ সহজ করতে ২০০৫ সালে কুশিয়ারা নদীর শিকপুর-বহরগ্রাম এলাকায় ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। কম দূরত্বের কারণে প্রতিদিন শত শত যানবাহন ও হাজারো মানুষ এ পথ ব্যবহার করতেন। তবে ২০১৫ সালে চন্দরপুর-সুনামপুর সেতু চালু হওয়ার পর ফেরির গুরুত্ব কমে যায়। ২০১৬ সালে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ফেরি ও পল্টন ডুবে গেলে যোগাযোগ ব্যবস্থাটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে।