ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে আসছেন মোঃ কাবিল উদ্দিন Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন

সুন্দরবনে জলদস্যু বাহিনীর কবল থেকে ৩৩ জেলেকে উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড 

মনির হোসেন, মোংলা
  • আপডেট সময় : ৩৩২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর অপহরণকৃত ৬ নারীসহ ৩৩ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। উদ্ধার হওয়া সব জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ও কাকঁড়া ধরতে গিয়ে জলদস্যু বাহিনীর কবলে পড়ে। ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ১০  সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ দস্যুদল করিম শরীফ বাহিনী তাদের গোপন আস্তানায় ১৬ টি নৌকা সহ ৩৩ জন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ৯ এপ্রিল সকাল ১১ টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বেইস মোংলা ও আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক সুন্দরবনের করকরি নদীর মাল্লাখালী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে অতি দ্রুত বনে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত এলাকা হতে অপহরণকৃত ৬ জন নারী সদস্য সহ ৩৩ জন জেলেকে ১৬টি বোটসহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভুক্তভোগীরা গত ৯ এপ্রিল  সকালে মাছ ও কাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে কয়রা হতে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে গমন করে। পরবর্তীতে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনী তাদের জিম্মি করে প্রতিজনের নিকট হতে ১০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে।

উদ্ধারকৃতদের কোস্টগার্ড স্টেশন কয়রাতে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার প্রদান করা হয়। তারা সকলেই খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। বোটসহ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড আওতাধীন এলাকাসমূহে মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা বিধান, জলদস্যু ও বনদস্যু দমন এবং নিরাপদ সুন্দরবন গঠনে ২৪ ঘন্টা ব্যাপী টহল অব্যাহত রেখেছে। যার মাধ্যমে আওতাধীন এলাকা সমূহের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। এরূপ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সুন্দরবনে জলদস্যু বাহিনীর কবল থেকে ৩৩ জেলেকে উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড 

আপডেট সময় :

সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর অপহরণকৃত ৬ নারীসহ ৩৩ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। উদ্ধার হওয়া সব জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ও কাকঁড়া ধরতে গিয়ে জলদস্যু বাহিনীর কবলে পড়ে। ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ১০  সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ দস্যুদল করিম শরীফ বাহিনী তাদের গোপন আস্তানায় ১৬ টি নৌকা সহ ৩৩ জন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ৯ এপ্রিল সকাল ১১ টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বেইস মোংলা ও আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক সুন্দরবনের করকরি নদীর মাল্লাখালী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে অতি দ্রুত বনে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত এলাকা হতে অপহরণকৃত ৬ জন নারী সদস্য সহ ৩৩ জন জেলেকে ১৬টি বোটসহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভুক্তভোগীরা গত ৯ এপ্রিল  সকালে মাছ ও কাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে কয়রা হতে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে গমন করে। পরবর্তীতে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনী তাদের জিম্মি করে প্রতিজনের নিকট হতে ১০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে।

উদ্ধারকৃতদের কোস্টগার্ড স্টেশন কয়রাতে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার প্রদান করা হয়। তারা সকলেই খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। বোটসহ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড আওতাধীন এলাকাসমূহে মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা বিধান, জলদস্যু ও বনদস্যু দমন এবং নিরাপদ সুন্দরবন গঠনে ২৪ ঘন্টা ব্যাপী টহল অব্যাহত রেখেছে। যার মাধ্যমে আওতাধীন এলাকা সমূহের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। এরূপ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।