ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

ছাত্র রাজনীতিমুক্ত বুয়েটে ছাত্রলীগের প্রোগ্রাম, উত্তাল ক্যাম্পাস

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪ ১৬১ বার পড়া হয়েছে

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছবি: সংগ্রহ

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনার পর বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয়

ছাত্র রাজনীতিমুক্ত বুয়েটে ছাত্রলীগের প্রেগ্রামকে কেন্দ্র করে অশান্ত ক্যাম্পাস হয়ে ওঠেছে ক্যাম্পাস।

ক্যাম্পাসে রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের বহিষ্কারসহ ৬ দফা দাবিতে ৩০ ও ৩১ মার্চ ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা আসলো সাদারণ ছাত্রদের তরফে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদ সমাবেশে ৬ দফা দাবি উত্থাপিত দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার ঘোষণাও দিয়েছে আন্দোলনে থাকা সাধারণ ছাত্ররা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে ২৮ মার্চ মধ্যরাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রোগ্রাম করেছেন বলে দাবি করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সবচেয়ে সমাদৃত ও শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনার পর বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয়।

তারপর বুয়েট বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ ক্যাম্পাসে রূপ নেয়। বুয়েটে সর্বশেষ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে যে নিরাপদ এবং সুন্দর একটি ক্যাম্পাস আমরা উপহার হিসেবে পেয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তা দেশব্যাপী সবার কাছে প্রশংসিত ও অনুকরণীয়।

দেশের সব মানুষ, নানা প্রান্তের নানা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী দেখেছে একটি রাজনীতিবিহীন ক্যাম্পাসের রোল মডেল, তার সুফল, তার সৌন্দর্য, তার উৎকর্ষের যত সমূহ সম্ভাবনা।


ঘটনাটিকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে বুয়েট শিক্ষার্থীরা বলেন, ২৮ মার্চ রাত ১টার দিকে আমরা জানতে পারি, বুয়েটে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা এসেছেন এবং তারা ক্যাম্পাসের মূল গেট দিয়ে ভেতরে প্রওবেশ করেন। রাত সাড়ে ১০টার পর যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারে না, সেখানে রাজনৈতিক বহিরাগতরা ঢুকলো কী করে?

তারা আরও জানান, বিপুল সংখ্যক বহিরাগত লোক মিছিলের মতো করে হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকে। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের চিনতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্যাম্পাসে রাতের আঁধারে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা ক্যাম্পাসের মর্যাদার প্রতি তীব্র অপমানজনক।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রকল্যাণ পরিদফতর কোনোভাবেই কি ন্যক্কারজনক এ ঘটনার দায় এড়াতে পারে?

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ছাত্র রাজনীতিমুক্ত বুয়েটে ছাত্রলীগের প্রোগ্রাম, উত্তাল ক্যাম্পাস

আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

 

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনার পর বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয়

ছাত্র রাজনীতিমুক্ত বুয়েটে ছাত্রলীগের প্রেগ্রামকে কেন্দ্র করে অশান্ত ক্যাম্পাস হয়ে ওঠেছে ক্যাম্পাস।

ক্যাম্পাসে রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের বহিষ্কারসহ ৬ দফা দাবিতে ৩০ ও ৩১ মার্চ ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা আসলো সাদারণ ছাত্রদের তরফে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদ সমাবেশে ৬ দফা দাবি উত্থাপিত দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার ঘোষণাও দিয়েছে আন্দোলনে থাকা সাধারণ ছাত্ররা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে ২৮ মার্চ মধ্যরাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রোগ্রাম করেছেন বলে দাবি করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সবচেয়ে সমাদৃত ও শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনার পর বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয়।

তারপর বুয়েট বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ ক্যাম্পাসে রূপ নেয়। বুয়েটে সর্বশেষ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে যে নিরাপদ এবং সুন্দর একটি ক্যাম্পাস আমরা উপহার হিসেবে পেয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তা দেশব্যাপী সবার কাছে প্রশংসিত ও অনুকরণীয়।

দেশের সব মানুষ, নানা প্রান্তের নানা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী দেখেছে একটি রাজনীতিবিহীন ক্যাম্পাসের রোল মডেল, তার সুফল, তার সৌন্দর্য, তার উৎকর্ষের যত সমূহ সম্ভাবনা।


ঘটনাটিকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে বুয়েট শিক্ষার্থীরা বলেন, ২৮ মার্চ রাত ১টার দিকে আমরা জানতে পারি, বুয়েটে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা এসেছেন এবং তারা ক্যাম্পাসের মূল গেট দিয়ে ভেতরে প্রওবেশ করেন। রাত সাড়ে ১০টার পর যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারে না, সেখানে রাজনৈতিক বহিরাগতরা ঢুকলো কী করে?

তারা আরও জানান, বিপুল সংখ্যক বহিরাগত লোক মিছিলের মতো করে হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকে। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের চিনতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ক্যাম্পাসে রাতের আঁধারে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা ক্যাম্পাসের মর্যাদার প্রতি তীব্র অপমানজনক।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রকল্যাণ পরিদফতর কোনোভাবেই কি ন্যক্কারজনক এ ঘটনার দায় এড়াতে পারে?