ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

চিরিরবন্দর মাজারে দোয়া মাহফিল ও শুকরানা বিতরন অনুষ্ঠিত

দিনাজপুর ব্যুরো প্রধান
  • আপডেট সময় : ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপেজলাতে রাজার দেওয়া সম্পত্তির মাজারে দোয়া-মাহফিল ও শুকরানা বিতরনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কথিত আছে চিরিরবন্দর উপজেলার ৮ নং ইউনিয়নের পশ্চিম সাঁইতিরা এলাকায় আনুমানিক ১৯১৭ সালে রাজা রামকৃষ্ণ এই এলাকায় বসবাস করতেন। সেই সময় রাজা রামকৃষ্ণ পীরের দিঘীসহ সয়সম্পত্তি খোকা ফকিরের নামে ৩১ একর ১২শতক সম্পত্তি দলিলের মাধ্যমে লিখে দেন।
খোকা ফকিরের মৃত্যুর পর রাজা রামকৃষ্ণ দলিলে যে নিয়ম লেখে গেছে সেটি পালন করছেন মৃত খোকা ফকিরের পরিবার। মৃত খোকা ফকিরের পরিবার জানান, ৩১ একর ১২শতক সম্পত্তিতে একটি মাদ্রাসা ও একটি মসজিদ রয়েছে। রাজা রামকৃষ্ণ দেওয়া দলিল মোতাবেক সম্পত্তি থেকে যা আয় হয় তা এলাকাবাসীর উপকার সব সময় করে থাকি। দলিল মোতাবেক সেটি আমরা এখনো অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।
এই সম্পত্তিটির দলিল আমাদের কাছে আছে। দলিলে স্পষ্টভাবে লেখা আছে, পীরের দিঘির পাহাড়িতে একটি মাজারের ঘর,একটি সন্ন্যাসীর ঘর হিন্দু সম্প্রদায়ের থান রয়েছে, প্রতিবছর গ্রীষ্ম মাসের প্রথম শুক্রবার এই মাজারে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়, দোয়া ও মিলাদ শেষে শুকরানা বিতরণ করা হয়।
খোকা ফকিরের পরিবার আরো বলেন, আমাদের পিতা মাতা ও দাদার  আমলের আগে এই পাহাড়িতে রাজার একজন ভক্ত ছিলেন তিনার মৃত্যুর পর এইখানে মাটি দিলে সেদিন থেকে এই মাজারে প্রতি বছর এই দিনে মিলাদ মাহফিল হয়।
গত ১৮ই এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৪ টার পর এলাকার গণ্যমান্য, গরীব ও অসহায় সবাইকে নিয়ে মিলাদ মাহফিল শেষে এই এলাকার হিন্দু- মুসলমান সবাইকে দেওয়া হয় শুকরানা। পাশাপাশি এখানে একটি হিন্দু সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী থান রয়েছে, সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের স্থানীয়রা পূজাসহ বিভিন্ন ধরনের উৎসব করে থাকেন। তবে দলিলে লেখা আছে শুধুমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা সন্ন্যাসী পূজায় আনন্দ উৎসব বছরে একদিন করতে পারবে এই দিনে।
অন্যদিকে এই এলাকার হিন্দু-মুসলমানসহ গরিব মানুষের বিয়ে,আকিকা,সুন্নত,পূজাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিকভাবে এই সম্পত্তির আয় থেকে সমস্যা সমাধান করা  হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চিরিরবন্দর মাজারে দোয়া মাহফিল ও শুকরানা বিতরন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় :
দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপেজলাতে রাজার দেওয়া সম্পত্তির মাজারে দোয়া-মাহফিল ও শুকরানা বিতরনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কথিত আছে চিরিরবন্দর উপজেলার ৮ নং ইউনিয়নের পশ্চিম সাঁইতিরা এলাকায় আনুমানিক ১৯১৭ সালে রাজা রামকৃষ্ণ এই এলাকায় বসবাস করতেন। সেই সময় রাজা রামকৃষ্ণ পীরের দিঘীসহ সয়সম্পত্তি খোকা ফকিরের নামে ৩১ একর ১২শতক সম্পত্তি দলিলের মাধ্যমে লিখে দেন।
খোকা ফকিরের মৃত্যুর পর রাজা রামকৃষ্ণ দলিলে যে নিয়ম লেখে গেছে সেটি পালন করছেন মৃত খোকা ফকিরের পরিবার। মৃত খোকা ফকিরের পরিবার জানান, ৩১ একর ১২শতক সম্পত্তিতে একটি মাদ্রাসা ও একটি মসজিদ রয়েছে। রাজা রামকৃষ্ণ দেওয়া দলিল মোতাবেক সম্পত্তি থেকে যা আয় হয় তা এলাকাবাসীর উপকার সব সময় করে থাকি। দলিল মোতাবেক সেটি আমরা এখনো অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।
এই সম্পত্তিটির দলিল আমাদের কাছে আছে। দলিলে স্পষ্টভাবে লেখা আছে, পীরের দিঘির পাহাড়িতে একটি মাজারের ঘর,একটি সন্ন্যাসীর ঘর হিন্দু সম্প্রদায়ের থান রয়েছে, প্রতিবছর গ্রীষ্ম মাসের প্রথম শুক্রবার এই মাজারে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়, দোয়া ও মিলাদ শেষে শুকরানা বিতরণ করা হয়।
খোকা ফকিরের পরিবার আরো বলেন, আমাদের পিতা মাতা ও দাদার  আমলের আগে এই পাহাড়িতে রাজার একজন ভক্ত ছিলেন তিনার মৃত্যুর পর এইখানে মাটি দিলে সেদিন থেকে এই মাজারে প্রতি বছর এই দিনে মিলাদ মাহফিল হয়।
গত ১৮ই এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৪ টার পর এলাকার গণ্যমান্য, গরীব ও অসহায় সবাইকে নিয়ে মিলাদ মাহফিল শেষে এই এলাকার হিন্দু- মুসলমান সবাইকে দেওয়া হয় শুকরানা। পাশাপাশি এখানে একটি হিন্দু সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী থান রয়েছে, সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের স্থানীয়রা পূজাসহ বিভিন্ন ধরনের উৎসব করে থাকেন। তবে দলিলে লেখা আছে শুধুমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা সন্ন্যাসী পূজায় আনন্দ উৎসব বছরে একদিন করতে পারবে এই দিনে।
অন্যদিকে এই এলাকার হিন্দু-মুসলমানসহ গরিব মানুষের বিয়ে,আকিকা,সুন্নত,পূজাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিকভাবে এই সম্পত্তির আয় থেকে সমস্যা সমাধান করা  হয়।