ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

নিয়ামতপুরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, মারাত্মক অসুস্থ প্রসূতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২ বার পড়া হয়েছে

অভিযুক্ত আলাউদ্দিন

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দেড় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক প্রসূতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রসূতির ভাই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের নাজমুলের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন অসুস্থ হয়ে গত ৩০ জুন টিএলবি বাজারের একটি ফার্মেসিতে যান। সেখানে আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি তাঁকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর পর কয়েকটি ওষুধ সেবন করান এবং আরও কিছু ওষুধ বাড়িতে খাওয়ার জন্য দেন বলে অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, ওষুধ সেবনের পর মর্জিনা খাতুন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাঁকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।

প্রসূতির স্বজনদের অভিযোগ, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে গেলে তিনি কোনো সহযোগিতা করেননি। পরে প্রসূতির ভাই মো. সাগর আলী নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন বলেন, “প্রসূতি আমার কাছে এসেছিলেন। আমি কোনো চিকিৎসা দিইনি। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে বলেছি।”

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিয়ামতপুরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, মারাত্মক অসুস্থ প্রসূতি

আপডেট সময় :

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দেড় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক প্রসূতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রসূতির ভাই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের নাজমুলের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন অসুস্থ হয়ে গত ৩০ জুন টিএলবি বাজারের একটি ফার্মেসিতে যান। সেখানে আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি তাঁকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর পর কয়েকটি ওষুধ সেবন করান এবং আরও কিছু ওষুধ বাড়িতে খাওয়ার জন্য দেন বলে অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, ওষুধ সেবনের পর মর্জিনা খাতুন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাঁকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।

প্রসূতির স্বজনদের অভিযোগ, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে গেলে তিনি কোনো সহযোগিতা করেননি। পরে প্রসূতির ভাই মো. সাগর আলী নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন বলেন, “প্রসূতি আমার কাছে এসেছিলেন। আমি কোনো চিকিৎসা দিইনি। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে বলেছি।”

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।