ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান Logo আওয়ামীলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে যুবদলের অবস্থান Logo অনিয়ম, দুর্নীতি এবং শিক্ষার মান নিয়ে অসন্তোষে অভিভাবকরা Logo দেওয়ানগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদন্ড Logo শেরপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo সুবর্ণচরে ২৬৭ কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ Logo বাইশারীর হাতির ডেরা এলাকা থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার

মানব পাচার, অপহরণ ও মাদক বিস্তার রোধে জোর দাবি

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মানব পাচার, অপহরণ, পাহাড়ে হত্যা, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল এসব অপরাধ দ্রুত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন।
‎‎জানা যায়, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচারকারীদের একটি সক্রিয় চক্র কাজ করছে। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুদের বিদেশে পাচার করা হচ্ছে, যা বর্তমানে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
‎অন্যদিকে, অপহরণ করে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।‎
‎এসব ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান জোরদার করার দাবি উঠেছে।
‎এছাড়া, মাদক ব্যবসা টেকনাফে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের অবাধ বিস্তার তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
‎‎স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতিও বাড়ছে, যা বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। তাই দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানানো হয়েছে।‎
‎রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। নতুন করে অনুপ্রবেশ বন্ধের পাশাপাশি যারা এখনো নিবন্ধনের আওতায় আসেননি, তাদের দ্রুত নিবন্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।‎
‎সচেতন মহলের মতে, টেকনাফে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে মানব পাচার, অপহরণ, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মানব পাচার, অপহরণ ও মাদক বিস্তার রোধে জোর দাবি

আপডেট সময় :

‎কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মানব পাচার, অপহরণ, পাহাড়ে হত্যা, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল এসব অপরাধ দ্রুত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন।
‎‎জানা যায়, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচারকারীদের একটি সক্রিয় চক্র কাজ করছে। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুদের বিদেশে পাচার করা হচ্ছে, যা বর্তমানে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
‎অন্যদিকে, অপহরণ করে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।‎
‎এসব ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান জোরদার করার দাবি উঠেছে।
‎এছাড়া, মাদক ব্যবসা টেকনাফে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের অবাধ বিস্তার তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
‎‎স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতিও বাড়ছে, যা বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। তাই দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানানো হয়েছে।‎
‎রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। নতুন করে অনুপ্রবেশ বন্ধের পাশাপাশি যারা এখনো নিবন্ধনের আওতায় আসেননি, তাদের দ্রুত নিবন্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।‎
‎সচেতন মহলের মতে, টেকনাফে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে মানব পাচার, অপহরণ, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।